এম. বেদারুল আলম; কক্সভিউ:
১ নভেম্বর থেকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। জেএসসিতে আজ প্রথম দিন বাংলা প্রথম পত্র এবং জেডিসিতে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জেলায় এবারে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ৪৫টি কেন্দ্রে মোট ৩২ হাজার ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার ৩০টি কেন্দ্রে ২৩২১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ১৫টি কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করছে ৮ হাজার ৮৬৭ জন।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা সূত্রে জানা যায়, জেএসজি পরীক্ষায় আট উপজেলার ৩০ কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ২৩ হাজার ২১০ জন।
তারমধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৮ জন, ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪২৯ জন, কক্সবাজার সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৪৭৬ জন, ইদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে ৩৭১ জন, ইদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৬২ জন এবং কক্সবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৬৩ জন।
রামু উপজেলার রামু খিজারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২৫ জন, জোয়ারিয়ানালা এইচ.এম.সাঁচি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৩৮ জন, রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৫৫ জন এবং গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৪৬ জন।
চকরিয়া উপজেলার চকরিয়া সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৬৭৪ জন, চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬২৮ জন, ডুলাহাজারা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৯৫ জন, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠে ৯৭৩ জন, ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২৪ জন এবং চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯১২ জন।
কুতুবদিয়া উপজেলার কুতুবদিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২৫ জন এবং ধুরং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৯৩ জন।
মহেশখালী উপজেলার মহেশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৫০০ জন, কালামারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৭৫ জন এবং মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫৪ জন।
উখিয়া উপজেলার উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০৬ জন, উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮০২ জন, কুতুপালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৩০ জন এবং পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯০৯ জন।
টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭৯ জন এবং আলহাজ্ব আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১৯ জন, এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন।
পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া জি.এম.সি ইনস্টিটিউশনে ৭৬৩ জন এবং পেকায়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪৭ জন।
জেডিসি পরীক্ষায় জেলায় ১৫ কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৮৮৬৭ জন। এর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় ৬২৯ জন, কক্সবাজার মহিলা আদর্শ মহিলা কামিল মাদরাসায় ৭২০ জন, ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল মাদরাসায় ৮১৮ জন। চকরিয়া উপজেলার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা চকরিয়া আনওয়ারুল উলুম ফাজিল মাদরাসায় ১৩৬৩ জন, পহরচাঁদা ফাজিল মাদরাসায় ২০৪ জন, আমজাদিয়া রফিকুল উলুম মাদ্রাসায় ৪৭৫ জন। কুতুবদিয়া উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কুতুবদিয়া বড়ঘোপ ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় ৫৭৯ জন। মহেশখালী উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মহেশখালী পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৭১২ জন এবং কালামারছড়া দাখিল মাদ্রাসায় ৫১৫ জন। টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ রঙ্গিখালী দারুল উলুম মাদরাসায় ৬০০ জন। পেকুয়া উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম আলিম মাদরাসায় ৫৮৯ জন এবং রাজাখালী বি.ইউ.আই ফাজিল মাদরাসায় ২২৮ জন। রামু উপজেলার রামু মেরংলোয়া রহমানিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় ৫৫৮ জন এবং গর্জনিয়া ফয়জুল উলুম আলিম মাদরাসায় ২৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। উখিয়া উপজেলায় উখিয়া রাজাপালং এম.ইউ ফাজিল মাদরাসায় ৬২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ২ নভেম্বর থেকে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জামায়াতের হরতালের কারণে তা ৭ নভেম্বর শুরু হয়। হরতালের কারণে এ পরীক্ষা বিলম্বিত হয়েছিল ২০১৩ সালেও। ওই বছর ৪ নভেম্বর থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তখনকার বিরোধী দলের হরতালের কারণে তা ৭ নভেম্বর শুরু হয়েছিল।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.