
অনলাইন ডেস্ক :
সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের মধ্যে একটি হলো পরীক্ষার দিন ডিম দিয়ে ভাত খেলে পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা খারাপ হবে, সে পরীক্ষায় ডিম বা গোল্লা পাবে। সমাজে প্রচলিত এই কথাটি কোনো কোনো মানুষকে এতটাই প্রভাবিত করে যে পরীক্ষার দিন তারা তাদের সন্তানকে কোনো অবস্থাতেই ডিম খেতে দেবে না।
এখন প্রশ্ন হলো, এ রকম ভিত্তিহীন কুসংস্কারের বিষয়ে ইসলাম কী বলে? ডিম একটি হালাল খাদ্য এবং পরীক্ষার দিনে এটি খেলে খারাপ কিছু হবে এমন বিশ্বাস ইসলামের দৃষ্টিতে ভিত্তিহীন। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। ইসলামে কুসংস্কারেরও কোনো স্থান নেই। ইসলামে অশুভ বা কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, বরং তা শুভ বলে মনে করা ভালো। (বুখারি)
সমাজে বহুল প্রচলিত কুসংস্কারের মধ্যে একটি হলো পরীক্ষার দিন ডিম দিয়ে ভাত খেলে পরীক্ষায় ফেল করে। কিছু পরিবারে পরীক্ষার দিনগুলোতে পরীক্ষার্থীকে ডিম খেতে দেওয়া হয় না। পরীক্ষায় ডিম বা গোল্লা পাওয়ার ভয়ে অনেকে এ কাজটি করেন। ডিম প্রোটিন, ভিটামিন ও শক্তির একটি ভালো উৎস এবং মানসিক সতর্কতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। ডিম খেলে পরীক্ষায় ফেল করা বা ‘ডিম’ পাওয়া একটি কুসংস্কার, যার কোনো ভিত্তি নেই।
এখন প্রশ্ন হলো, এ রকম ভিত্তিহীন কুসংস্কারের বিষয়ে ইসলাম কী বলে? ডিমের মতো একটি হালাল ও পুষ্টিকর খাবারকে পরীক্ষার দিন খাওয়া অশুভ মনে করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো জিনিসকে অশুভ লক্ষণ মনে করার সুযোগ নেই।
মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণ মহান আল্লাহর হাতে। কোনো বস্তু বিশেষ মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণ করতে পারে না। তাই কোনো মুসলমান কোনো বস্তুকে অকল্যাণকর বলে বিশ্বাস করতে পারে না। অশুভ মনে করতে পারে না। হাদিসে কোনো কিছু অশুভ মনে করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
পরীক্ষার দিন সকালে ডিম খাওয়াকে অশুভ বলে বিশ্বাস করার সুযোগ নেই। এটা কুসংস্কার। ইসলামে কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। যারা কুসংস্কার বিশ্বাস করবে, তারা মূলত নবীজি (সা.)-এর নির্দেশনা অমান্য করবে।
অতএব পরীক্ষার দিন সকালে ডিম খাওয়াকে অশুভ বলে বিশ্বাস করার সুযোগ নেই। এটা নিছক কুসংস্কার। ইসলামে কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। মহান আল্লাহ সবাইকে এ ধরনের বিশ্বাস থেকে দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.