কক্সবাজারের চকরিয়ার উপকূলীয় ও পাহাড়ী গ্রাম থেকে দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকদের প্রলোভনে ফেলে বিভিন্ন বয়সী নারীদের সংগ্রহপূর্বক পাচারের সময় জনতা এক মানবপাচারকারীকে পাকড়াও করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এসময় তার খপ্পর থেকে উদ্ধার হয়েছে অষ্টাদশী এক তরুণ কে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
আটক হওয়া মানবপাচারকারী নুরুল আমিন (২৮) লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুরস্থ ৩নং ওয়ার্ডের মৃত ফয়েজউল্লাহর ছেলে। উদ্ধার হওয়া তরুণী আসমাউল হুসনা (১৮) চকরিয়ার বদরখালী ইউনিয়নের নতুন ঘোনার আবদুল কাদেরের মেয়ে।
চকরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, লক্ষীপুরের মানবপাচারকারী নুরুল আমিন চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম ছাইরাখালীর ৫ নারী ও উপকূলীয় বদরখালীর এক তরুণীকে সরকারীভাবে বিদেশে পাঠিয়ে ভাল রোজগারের প্রলোভন দেয়। পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের নামমাত্র কিছু টাকাও দেয়। এতে ওই নারীরা পরিবারকে স্বচ্ছল করতে বিদেশ পাড়ি দিতে রাজী হয়।
ওসি প্রভাষ ধর আরো বলেন, স্বপ্নীল প্রলোভনের পাশাপাশি বদরখালীর আবদুল কাদেরের স্ত্রী হাসিনা বেগমকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা দিলে তার মেয়ে আসমাউল হুসনাকে সৌদি আরব পাঠাতে পাচারকারীর হাতে তুলে দেয়। মঙ্গলবার রাতে ওই তরুণীকে সাথে নিয়ে মানবপাচারকারী নুরুল আমিন ছাইরাখালীতে যায় আরো পাঁচ মহিলাকে সংগ্রহ করতে। এসময় তরুণীসহ নুুরুল আমিনকে দেখে স্থানীয় মেম্বারের সন্দেহ জাগলে তাকে নানা প্রশ্ন করে। এতে সদোত্তর না পাওয়ায় জনগণকে সাথে নিয়ে পাচারকারীকে পাকড়াও করে পুলিশে সোপর্দ করে।
খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম রাত ১০ টায় ওই মানবপাচারকারীকে আটক করে এবং তার খপ্পর থেকে উদ্ধার করে তরুণী আসমাউল হুসনাকে।
এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.