জেলার অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত চকরিয়া ও মহেশখালী পৌরসভার নির্বাচন ২০ মার্চ। প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে চলছে ভোটের নানা হিসেব নিকেষ। প্রথম দলীয় ব্যানারে নির্বাচন হওয়ায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও ভোটাররা কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে। তবুও বিএনপি’র প্রার্থীরা ভোটারদের দিয়ে যাচ্ছেন নানা আশ্বাস ও নির্ভয়। পক্ষান্তরে আ’লীগের প্রার্থীরা ও চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠে।
২০ মার্চ মহেশখালী ও চকরিয়া পৌরসভার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে গ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন অফিস ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। জেলা নির্বাচন সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া পৌরসভার মোট ভোটার ৪২ হাজার ৩শ ৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২২২৬৫ জন এবং মহিলা ভোটার ২০০৪১ জন। চকরিয়ায় ১৮ ভোট কেন্দ্রে ভোট কক্ষের সংখ্যা ১২২ জন। চকরিয়ায় মেয়র পদে আ’লীগ থেকে মাঠে রয়েছেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী এবং বিএনপি থেকে মাঠে রয়েছেন পৌর বিএনপি’র সভাপতি নূরুল ইসলাম হায়দর। উভয়প্রার্থী ভোটারদের মন গলাতে দিয়ে যাচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। উভয়প্রার্থী রাজনৈতিক মাঠে পরিচিত এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ভাজন হওয়ায় উভয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বিজয়ের টিকেট পেতে।
লেভেল প্লেয়িং ফিন্ড নিশ্চিত হলে চকরিয়া পৌরসভার নির্বাচনে উভয় প্রার্থী ছেড়ে কথা বলবেনা। অপরদিকে মহেশখালী পৌরসভার নির্বাচনে এবার ভোটার সংখ্যা ১৭ হাজার ৯শ ৬০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৪১৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৮৫৪৩ জন। মহেশখালী পৌরসভায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৯টি এবং ভোট কক্ষ রয়েছে ৪২টি। মহেশখালী পৌরসভায় মূলত আ’লীগের বিপক্ষে রয়েছে সদ্য বহিস্কৃত অথচ জনপ্রিয় প্রার্থী সরওয়ার আজম। দল থেকে মেয়র মকসুদ মিয়াকে মনোনয়ন প্রদান করলেও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে মহেশখালীর প্রথম মেয়র সরওয়ার আজম। মাঠে রয়েছেন বিএনপি’র প্রার্থী এড: হাবীবুর রহমান। ফলে মহেশখালী পৌরসভায় ত্রিমুখী লড়াই এর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে কিনা সংশয় রয়েছে।
২০ মার্চের নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কে হাসে তা বলে দেবে ভোটারদের অধিকার কতটুকু মাঠ পর্যায়ে যথাযথ বাস্তবায়ন হয় সেই নিরপেক্ষ পরিবেশের উপর।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.