
‘জন উইক: চ্যাপ্টার টু’ ছবির দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত।
২০১৪ সালের জন উইক সিনেমাটার কথা দর্শকদের মনে আছে নিশ্চয়ই। পোষা কুকুরকে মেরে ফেলার পর যে তার পুরনো পেশায় ফিরে গিয়েছিল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য। দুর্দান্ত অ্যাকশনে পরিপূর্ণ চমৎকার কাহিনি আর সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে নির্মিত এই সিনেমার সিক্যুয়েল ‘জন উইক: চ্যাপ্টার টু’ ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ।
আগের ছবির দারুণ সাফল্যর পর কিয়ানু রিভস আবারও ফিরেছেন দুধর্ষ জন উইকের চরিত্রে। সাথে আছেন লরেন্স ফিশবার্ন, ইয়ান ম্যাকশেন, পিটার স্টোরমেয়ার, থমাস সেডস্কি, পিটার সেরাফিনোউইজের মতো তারকারা। প্রথম ছবিটির মতোই গতিশীল অ্যাকশন, সঙ্গে রোম নগরীর অনন্য চিত্রায়ন দর্শকের প্রত্যাশা মিটিয়েছে যথার্থই। যার ফল মিলেছে বক্স অফিসেও। ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করেছে প্রায় ১৪৪ মিলিয়ন ডলার।
পরিচালকের ভূমিকায় প্রথম পর্বের সেই চাদ স্ট্যাহেলস্কি। এই পরিচালকের প্রথম চলচ্চিত্র ‘জন উইক’। এর আগে তিনি স্ট্যান্টম্যান হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ করতেন। তারও আগে তিনি ছিলেন কিক বক্সার। ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা দ্য ক্রো-এর শ্যুটিংয়ের সময় প্রধান চরিত্র ব্র্যান্ডন লি অকালে মৃত্যুবরণ করলে তার ডাবলের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন স্ট্যাহেলস্কি। স্টান্টবাজি করেছেন এরকম অনেকগুলো সিনেমার মধ্যে বিখ্যাত হল ‘দ্য ম্যাট্রিক্স’। কিয়ানু রিভসের ডাবল ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে সেই কিয়ানু রিভসকে নিয়েই নির্মাণ করেছেন ‘জন উইক’। দ্বিতীয় ছবিতে কিয়ানু রিভসের সাথে আরও আছেন ম্যাট্রিক্স তারকা লরেন্স ফিশবার্ন।
জন উইক একজন সাবেক হিটম্যান। সবকিছু ছেড়ে জন উইক স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চায়। ঠিক সেই সময় তার কাছে প্রস্তাব নিয়ে আসে এক ইটালিয়ান বংশোদ্ভূত মাফিয়া। জন উইক প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এজন্য তাকে যথেষ্ট মূল্য দিতে হয়। আর তখনি সে সিদ্ধান্ত নেয় কাজটি করবে এবং কাজটি করতে গিয়ে একের পর এক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। দূরন্ত সাহসিকতা আর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সব প্রতিবন্ধকতা জয় করে সামনে এগিয়ে যায় সে।
সূত্র:priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.