
গিয়াস উদ্দিন ভুলু; টেকনাফ :
নদী ও সাগরপথে ইয়াবা পাচার অব্যাহত রয়েছে। জলপথে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধ করতে কঠোর ভূমিকা হাতে নিয়ে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। সেই ধারাবাহিকতায় ৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার ভোর রাত আড়াই টারদিকে সেন্টমাটিনের পূর্ব দিকে ছেড়াদিয়া দ্বীপ এলাকায় গভীর বঙ্গোপসাগরে ইয়াবা পাচারকারী একটি ট্রলারে গুলি বর্ষন করে আটক করতে সক্ষম হয় ৬ মিয়ানমার নাগরিককে, উদ্ধার করা হয় ৩ লক্ষ ইয়াবা। জব্দ করা হয় একটি ট্রলার।
কোষ্টগার্ড টেকনাফ ষ্টেশন কমান্ডার লেঃ জাফর ইমাম সজীব জানান, কোস্টগার্ডের একটি টহলদল মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান পাচারের গোপন সংবাদে টেকনাফ সেন্টমার্টিন ছেড়া দ্বীপের পূর্ব-দক্ষিন বঙ্গোপসাগরে অভিযানে যায়। এ সময় মিয়ানমার সীমানা থেকে একটি ট্রলার আসতে দেখে সংকেত দিলে ট্রলারটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কালে ৩ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে ধাওয়া করে ট্রলারটি আটক করা হয়। এ ট্রলারটি তল্লাশি চালিয়ে ৩ লাখ পিচ ইয়াবাসহ ৬ মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হচ্ছে, মিয়ানমার আকিয়াব এলাকার মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে রহিম উল্লাহ (৬০), মিয়রক’ল আলী পাড়ার মকবুল আহাম্মদের ছেলে নাজির আহাম্মদ (৬৫), একই এলাকার মৃত কাদের হোসনের ছেলে এনামুল হোসেন (১৬), মৃত হাবিউর রহমানের ছেলে মোঃ করিম (১৭), মৃত মোহাম্মদের ছেলে মোঃ রফিক (১৪), মৃত রহিম উল্লাহর ছেলে মোঃ ফারুক (১৪)। উদ্ধার ইয়াবা ও ট্রলারের আনুমানিক মূল্য ১৫ কোটি ৩ লাখ টাকা বলে জানায়।
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা আরো জানান, নাফনদীতে দিন রাত জেলেদের মাছ শিকার বন্ধ করা হলে ইয়াবা পাচারকারীরা রুট পরিবর্তন করে বঙ্গোপসাগর দিয়ে পাচার করছে। বেশীর ভাগ ইয়াবা উপকূল দিয়ে খালাস করে মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে পাচারের খবর রয়েছে। কোস্টগার্ড ইয়াবাসহ যে কোন মাদক পাচার ঠেকাতে পাহারা জোরদার করেছে।
এদিকে উদ্ধার ইয়াবা ও ট্রলারসহ আটক মিয়ানমার নাগরিকদের থানায় হস্তান্তর করে মাদক ও বৈদেশিক আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন কোষ্টগার্ডের ওই কর্মকর্তা।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.