
নিজস্ব প্রতিনিধি; রামু :
এখন গাছে সুপারী কমে গেছে, বিপাকে পড়ে রামুর ইয়াবা সেবীরা নেমেছে বসত বাড়িতে চুরির মহোৎসবে। এ কারনে এক রাতে এক গ্রামের ১৫টি বাড়িতে ঘটেছে চুরির ঘটনা। স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, ৯টি মোবাইল সেট সহ সংঘবদ্ধ চোরের দল লুট করেছে বিপুল মালামাল। তবে বাড়ির গ্রিলের তালা ভেঙ্গে একটি মোটর সাইকেল চুরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে চোরের দল। কয়েকটি লক থাকায় চুরির কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে সংবাদকর্মী শওকত ইসলামের সদ্য কেনা এ মোটর সাইকেলটি।
বৃহষ্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে ঘটে এসব চুরির ঘটনায়। এ ঘটনার পর থেকে আতংকিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ধারনা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান না থাকলে সহসা বড় ধরনের আরো অপরাধ কর্মকান্ড সংগঠিত করতে পারে এসব চুরির ঘটনায় জড়িত চক্রটি।
জানা গেছে, বৃহষ্পতিবার রাতে চোরের দল মেরংলোয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও ১টি মোবাইল সেট, শামসুল আলমের বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও ২টি মোবাইল সেট, এমদাদ মিয়ার বাড়ি, এবাদুল হকের বাড়ি, নুরুল আমিনের বাড়ি ও শওকত ইসলামের বাড়ি থেকে মোবাইল সেট সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় গ্রাম সর্দার নুরুল আলম জানিয়েছেন, গ্রামের অলিগলি থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি এখন ইয়াবা/গাঁজা/মদ সেবনকারিদের আস্তানায় পরিনত হয়েছে। ইয়াবা সন্ত্রাসীদের আগ্রাসনে সমাজে নেমে এসেছে চরম অশনি সংকেত। চলতি মৌসুমে সুপারী চুরি করে ইয়াবা/গাঁজাসেবীরা খরচ মেটালেও এখন গাছে গাছে আর সুপারী নেই। ফলে মাদকসক্তরা এখন বসত বাড়িতে চুরি শুরু করেছে। আতংকিত হয়ে বাড়ির মালিকরা এখন পাহারা দিতে শুরু করেছে। কদিন পরে বাড়িতে চুরি করতে না পেরে অপরাধীরা আরো বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, বিষয়টি জেনেছি। ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি জানান, এক রাতে এতগুলো বাড়িতে চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.