
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়। ফাইল ছবি
আর্থিক লেনদেন নিয়ে অভিযোগ আসায় ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট সার্ভিসের দুই কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই অভিযোগে তিনটি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানকেও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিয়েও দুদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
৫ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের কাছে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ আসা তিনটি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান হলো- সুন্দরবন, কন্টিনেন্টাল ও এসএ পরিবহন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের চিঠিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে ঘুষ লেনদেন, অর্থপাচার, ইয়াবা ব্যবসায় অর্থ লেনদেন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি শুনতে বিকাশ ও রকেটের উর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে আগামী ১২ ও ১৫ এপ্রিল দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে তলব করা হয়েছে।
বিকাশ লিমিটেডের রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের জেনারেল ম্যানেজার হুমায়ুন কবিরকে ১২ এপ্রিল এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এসএভিপি অ্যান্ড হেড অব এফআইডি সাইফুল আলম মো. কবিরকে ১৫ এপ্রিল তলব করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিন কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
কুরিয়ার সার্ভিসসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষেরর নাম, অর্থিক লেনদেনের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র, টাকা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে পোস্টাল নীতিমালা, কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ কী পরিমাণ অর্থ পাঠালে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের জানানোর নিয়ম রয়েছে, অর্থ লেনদেন করলে জতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি গ্রহণ করা হয় কিনা, সন্দেহজনক লেনদেন সিআইডি, পিআইবি, র্যাব ইত্যাদি সংস্থাসমূহকে জানানো হয় কি না সেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।
সূত্র:মোস্তফা ইমরুল কায়েস-priyo.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.