বাংলাদেশি পণ্যের নতুন বাজার তৈরি হয়েছে নেপালে। গেলো বছর দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে, প্রায় ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পণ্য। গুণগত মান ধরে রাখতে পারলে নেপালের বাজারে এক সময় শক্ত অবস্থান নেবে মেইড ইন বাংলাদেশ লেখা পণ্য সে কথা বলা যায়।
বাংলাদেশের প্রাণ, হাতিল ও ওয়ালটনের জিনিসপত্রের সুনাম এখন নেপালিদের মুখে মুখে। প্রাণ কর্তৃপক্ষ বলছে, শুল্ক, ভিসা ও সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে, এই বাজারে আধিপত্য বিস্তার অসম্ভব নয়।
বর্তমানে নেপাল বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পণ্য। যার একটা উল্লেখযোগ্য অংশই প্রাণের পণ্য। প্রথমে দুই ট্রাক জুস দিয়ে এ যাত্রা শুরু হলেও, এখন তা ছাড়িয়েছে ২৪ লাখ ডলারের বাণিজ্য। ছোট কনফেকশনারি কিংবা জুসের দোকান সবখানেই প্রাণের পণ্যের সুনাম নেপালিদের মুখে মুখে।
প্রাণ কর্তৃপক্ষ বলছে, শুল্ক, ভিসা ও সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে, দেশটিতে তাদের পণ্য এককভাবে আধিপত্য করবে।
প্রাণ-আরএফএল এক্সপোর্ট গ্রুপের জিএম মো. তানভীর ইসলাম বলেছেন, একাধিক বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে যেগুলো নেপালে চাহিদা বেশি সারাসরি সে সুবিধাটি নেওয়া যাবে। সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে সেখানে পণ্য সর্বরাহ করতে সময় অনেক কম লাগবে এবং সরবরাহকৃত পণ্য নষ্ট কম হবে। তার সাথে ব্যবসায়ীক ভিসা করতে পারলে যাতায়াতে অনেক সুবিধা হবে।
শুধু প্রাণ নয়, নেপালে বাজারে জায়গা করে নিয়েছে, বাংলাদেশের আরেকটি ব্র্যান্ড হাতিল। রাজধানী কাঠমান্ডুর এই শপিং মলে একটি বিক্রয় কেন্দ্রেই প্রতিমাসে তাদের বিক্রি ৩০ থেকে ৩৫ লাখ নেপালি রুপি। পিছিয়ে নেই ওয়ালটন রানারও। তাদের তৈরি মোটরসাইকেলসহ নানা পণ্যের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে ক্রমেই।
নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস বলেছেন, নেপালে বাংলাদেশের পণ্যের প্রতি অনেক চাহিদা রয়েছে। তাই গুণগত মান ধরে রাখতে ধরে রাখতে পারলে দেশি পণ্যের চাহিদা আরো বাড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করনে।
হিমালয় কন্যা নেপাল। এক লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের আয়তনের পর্বত ঘেরা এ দেশে বাস করে পৌন তিন কোটি মানুষ। অর্থনীতির ৯০ ভাগই আমদানি নির্ভর। যার ৬৫ ভাগ ভারত, ১৫ ভাগ চীন আর বাকি ২০ ভাগ আসে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ থেকে।
সূত্র:deshebideshe.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.