আগামীতে বিশ্বে ট্রিলিয়ন ডলারের আয়ের খাত হবে মহাকাশে উপগ্রহ আর গ্রহাণু খননকাজ। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছেন মার্কিন জোতির্বিজ্ঞানী নেইল ডে গ্রাসি। এ লক্ষ্যে স্পেস ক্রাফট তৈরিতে কাজ করছে অনেক প্রতিষ্ঠান।
পৃথিবীর অভ্যন্তর ছাপিয়ে এবার খননকাজ হবে মহাকাশে। শুনতে অবাক হলেও সত্যি, পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে ভেসে থাকা উপগ্রহ আর গ্রহাণু খননের পর প্রাপ্ত খনিজ পৃথিবীতে বিক্রির মাধ্যমে আয় করা যাবে ট্রিলিয়ন ডলার। সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাক্সে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছেন মার্কিন এক বিজ্ঞানী।
তিনি বলেন, বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার সেই হবেন, যিনি মহাশূণ্যের উপগ্রহ আর গ্রহাণুগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ কাজে লাগাবেন। মহাবিশ্বে অফুরন্ত শক্তি আর সম্পদ থাকায় তা নিয়ে যুদ্ধ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করেন তিনি।
মার্কিন বিজ্ঞানী বলেন, ‘এরইমধ্যে আমাদের প্ল্যানেটের ৪৫ মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে ১২ হাজার গ্রহাণু সনাক্ত করতে পেরেছে নাসা। ভূবিজ্ঞানিরা বলছেন, এই উপগ্রহগুলো স্বর্ণ, রূপা, প্লাটিনাম, টাইটেনিয়াম, লোহা, নিকেলসহ মূল্যবান আকরিক দিয়ে তৈরি। খনন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং কম খরচে স্পেস ক্রাফট তৈরির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছে গোল্ডম্যান স্যাক্স। যদি মহাকাশে উপগ্রহ খননের কাজ শুরু করা যায়, তাহলে অর্থের যোগানটা খুব কঠিন কিছু নয় বলেই মনে করেন ভূ-বিজ্ঞানীরা।’
একটি উপগ্রহ খনন স্পেস ক্রাফট তৈরিতে ২শ’ ৬০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে বলে মনে করে ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ক্যালটেক। উপগ্রহ খননে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ থাকলেও বর্তমানে কসমিক মাইনিং হাব হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য রয়েছে লুক্সেমবার্গের। পাশাপাশি স্পেস মাইনিংয়ের প্রস্তুতির কাজের জন্য অনুমোদন দেয়া হয় কয়েকটি কোম্পানিকে।
ডিপ স্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্ল্যানেটারি রিসোর্সেস নামের দুই কোম্পানির সাথে কাজ করছে লুক্সেমবার্গ। যারা কয়েকবছর ধরেই গ্রহাণু খননে মুনাফা নিয়ে গবেষণা করছে।
মহাকাশের উপগ্রহগুলোকে আবিস্কার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের বাণিজ্যিক ব্যবহারই তাদের মূল লক্ষ্য। তবে মহাকাশে অনুসন্ধান চালানোর জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক কিছু নিয়মনীতিও।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.