
প্রতীকী ছবি।
নিজস্ব প্রতিনিধি; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী কালু ফকিরপাড়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন আক্তার (১৪) ও ঈদগাঁও মধ্যম মাইজ পাড়ার হাজেরা খাতুনের মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (১৪) ২৭ জুলাই শুক্রবার দুপুরে অপরিণত বয়সে বধূ সেজে শশুর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয় সূত্র মতে, সদরের উপকুলীয় চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের উত্তর মাইজ পাড়া এলাকার মো.আলীর কিশোরী কন্যা শারমিন আক্তারের সাথে বিয়ে ঠিক হয় ইসলামাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ খোদাইবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ বশিরের ছেলে মো. রুহুল আমিন। বিয়ের কাবিননামা করার জন্য কনের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি ভূয়া জন্ম সনদও তৈরী করা হয়। ওই জন্ম সনদ দিয়ে কাবিননামা সম্পন্ন করা হয়। চৌফলদন্ডী চেয়ারম্যানের মতে ‘শারমিন নামের ওই কিশোরীর বাল্যবিয়ের বিষয়টি বৃহস্পতিবার আমি জানতে পারি। তাৎক্ষণিক বিষয়টি ইউএনও স্যারকে অবগত করি। পরের দিন শুক্রবার দুপুর বারটার দিকে ইউএনও স্যার উপস্থিত হয়ে এই বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন। পরে ওই কিশোরীকে আমার জিম্মায় দেন। এর পরপরই তিনি ঈদগাঁওর মধ্যম মাইজ পাড়া এলাকায় সুমাইয়া জান্নাতের বাসায় যান। পরে তার বয়স কম হওয়ায় মা হাজেরা খাতুনের জিম্মায় বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দিতে অঙ্গিকারনামা নেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতে, খবর পেয়ে চৌফলদন্ডীর মাইজপাড়া এলাকায় কনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় অভিযান টের পেয়ে কনের বাবা ও অভিভাবকেরা পালিয়ে যায়। পরে কিশোরী শারমিনকে চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে শারমিনের বিয়ে হবে না। তার পূণরায় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হবে। চৌফলদন্ডী কালু ফকির পাড়া আদর্শ বালিকা
মাদ্রাসার সুপারের মতে, শারমিনকে জোর করে বিয়ের পিঁড়িতে বসাতে চেয়েছিল তার পরিবার। বাল্যবিয়ে বন্ধ করায় ইউএনওর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.