শুরু হল শোকের মাস আগস্ট। এই মাসেই সপরিবারে হত্যা করা হয় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির অগ্রগতিকে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা।
৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবন। এই সময়ে তিনি একটি জনগোষ্ঠীকে জাতিক চেতনায় ঐক্যবদ্ধই শুধু করেননি, তাদের স্বাধীনতার, মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ভাষা দিয়েছিলেন। সাহসে, শৌর্যে পরাধীনতাকে পেছনে ফেলেছেন।
তবে আকস্মিক কিংবা অপ্রত্যাশিত নয়। তিনি এসেছিলেন বাংলার মাটি থেকে জেগে। ভালবেসেছিলেন মাটি আর মানুষকে। তিনি রাজনীতির কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
তবুও পঁচাত্তরে ঘাতকের বুলেট গর্জে উঠেছিল। সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির পিতাকে। এই মৃত্যুঞ্জয়ীর তিরোধান দিবস মিলেছে আগস্টে। এই মাস বেদনার হয়েও অফুরান শক্তি যোগায় বাঙালিকে।
ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভারতের তৎকালীন র’এর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী ইনদ্রা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে সতর্ক করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীতে ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, বাঙালীরা আমার ছেলের মতো। তারা আমার কোনো ক্ষতি করবে না। বাঙালীদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অনেক আস্থা ছিলো। কিন্তু কিছু কুলাঙ্গার বাঙালী সেই আস্থার জায়গাটা রাখেনি।’
বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষীয় বঙ্গবন্ধুকে পাওয়া যায় বাঙালির পরম আপনজন হিসাবে। তাইতো আজও নানাভাবে প্রাণিত করে বাঙালি জাতিকে।
মৃত্যুর সাথে সাথে জাতির পিতা নতুন করে জন্ম নিয়েছেন বাঙালির অন্তরে। সেখানে প্রবলভাবে আলোড়িত করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়তই। আর এভাবেই তিনি বেঁচে থাকবেন শ্রদ্ধায় আর স্মরণে।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.