
একে তো নেই অনুমোদন তার ওপর অবৈধ কার্যক্রম। এভাবেই চলছে রাজধানীর মতিঝিল পাড়ার বেশিরভাগ ক্রীড়া সংঘ বা স্পোর্টিং ক্লাব।
ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের আড়ালে এক শ্রেণির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এসব ক্লাববে চালিয়ে আসছিল অবৈধ মাদক ও ক্যাসিনোর ব্যবসা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বলছে, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনলঙ্ঘন করে এসব ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণির লোক। র্যাব বলছে, অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত কাউকে ছাড় নয়।
মোহামেডান, ভিক্টোরিয়া, ইয়ংমেন্স, আরামবাগ, দিলকুশা, মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম নামীদামি ক্লাব। ক্রিকেট আর ফুটবলের কারণেই এতদিন এসব ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলো চিনতো সাধারণ মানুষ। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নড়েচড়ে বসতেই বের হয়ে এলো অন্তরালের খবর।
ঐতিহ্যের আড়ালে চলছে অনৈতিক নানা কার্যক্রম। কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে ক্লাবগুলোতে নিয়মিত বসতো মাদক আর জুয়ার আসর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তথ্য মতে, বাংলাদেশে বারের লাইসেন্স প্রাপ্ত ক্লাব রয়েছে ৩৪টি। যার মধ্যে ঢাকায় ১৯টি। তবে এ ১৯টির মধ্যে নেই অভিযান চালানো কোনো ক্লাবের নাম।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চলছিল এসব ব্যবসা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন ভাঙা হয়েছে। লাইসেন্স ব্যতীত যে কারো এরূপ ক্লাব পরিচালনার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
র্যাব বলছে, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনার বিরুদ্ধে আমরা আবারও অ্যাকশনে যাব। অনুমোদন ছাড়া ক্লাবে বার বা ক্যাসিনো ব্যবসার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে ক্লাবের পরিচালনা কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধেও।
সূত্র: somoynews.tv – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.