
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জারিকৃত বিধি-নিষেধে শিথিলতা এনে ব্যবসা-বাণিজ্য চালুর পাশাপাশি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক স্থাপনা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
শনিবার জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ঈদুল ফিতর উদযাপনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং জাদুঘরগুলো রোববার খুলে দেয়া হবে।
তবে করোনাভাইরাস ছড়ানোর মূল কেন্দ্রে পরিণত হওয়া দেশটির মাজারগুলো খুলবে সোমবার। এক্ষেত্রে সেখানে প্রত্যেককেই সামাজিক দূরত্ব মেনে গ্লোভস, মাস্ক পরে আসতে হবে।
গত সপ্তাহে ইরানের এই প্রেসিডেন্ট দেশটির ধর্মীয় স্থাপনা এবং মাজারগুলো ঈদের দিন সকাল এবং বিকেলে তিন ঘণ্টা করে খোলা থাকবে বলে জানান।
রুহানি বলেন, দেশের সব কর্মী আগামী রোববার থেকে কাজে ফিরবে পারবেন। তিনি বলেন, আমরা বলতে পারি যে, করোনাভাইরাসের তিনটি ধাপ পেরিয়েছি।
ইরানের ৩১টি প্রদেশেই করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও ১০টি প্রদেশে এর প্রকোপ ছিল কম। তবে করোনা সংক্রমিতদের আলাদা করার জন্য দেশজুড়ে আবারও স্ক্রিনিং কার্যকর বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হাসান রুহানি বলেন, রমজানের পর দেশের রেস্টুরেন্টগুলো খুলে দেয়া হবে। খেলাধুলার কার্যক্রম শুরু হলেও দর্শক উপস্থিত হতে পারবেন না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল স্কুল আগামী ৬ জুনের পর খুলে দেয়া হবে বলে জানান রুহানি।
তিনি বলেন, ইরানে এখন পর্যন্ত করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের ৮৮ শতাংশের অন্যান্য শারীরিক জটিল সমস্যা ছিল। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, শনিবার পর্যন্ত ইরানে করোনায় মারা গেছেন ৭ হাজার ৩৫৯ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫২১ জন।
সূত্র: deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.