
প্রতিকী ফটো
নিজস্ব প্রতিবেদক; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে নিহত মোস্তাকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ১৮ আগষ্ট বিকাল ৫ টার দিকে চাঁন্দেরঘোনা লামার পাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাযা পরবর্তী স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযায় ইমামতি করেন মৌলভী সিরাজ উদ্দীন।
এ সময় মোস্তাকের ভাই শফি আলম উপস্থিত এলাকাবাসী ও আগত মুসল্লীদের সামনে তার ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে গুলি করে হত্যা করার দায়ে জড়িত বিট কর্মকর্তার ফাঁসি দাবী করেন।
স্থানীয় উপস্থিত এলাকাবাসী এ জগন্যতম হত্যাকান্ডে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এর পূর্বে দুপুর দুইটার দিকে তার লাশ এলাকায় পৌছলে এক হৃদয় বিদায়ক চিহৃ ভেসে উঠে। আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজনদের মাঝে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।
উল্লেখ্য যে,১৭ আগষ্ট সকাল আনুমানিক সাড়ে দশটার দিকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনা বিটের চাঁন্দের ঘোনা উছিন্না মোরা এলাকায় বন বিভাগের জমির উপর ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
স্থানীয়রা জানায়, এদিন স্থানীয় মৃত মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র মোস্তাক আহমদসহ আরো ৪/৫ লোক তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এক অসহায় নারীকে ঝুঁপড়ি ঘর নির্মাণ করে দিতে সহযোগীতা করে। খবর পেয়ে মেহেরঘোনা বিট কর্মকর্তা মামুন অর রশিদের নেতৃত্বে একদল বনকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুঁপড়ি নির্মাণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় নিহত মোস্তাকের সাথে বনকর্মীদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির রূপ নিলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায়। বিট কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদকে গুলি করে বলে জানায় ভাই শফি আলম। পরে এলাকার লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোস্তাককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সংবাদটি এলাকায় চাউর হলে উত্তেজিত জনতা বন কর্মীদের ধাওয়া করে মারধর করে। এ সময় তাদের সাত কর্মকর্তা -কর্মচারী আহত ও চাইনিজ রাইফেল ভাংচুর করা হয়েছে বলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মামুন মিয়া জানান।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.