সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / এখনো জমে উঠেনি উখিয়ার ঈদ বাজার

এখনো জমে উঠেনি উখিয়ার ঈদ বাজার

ফাইল ফটো

হুমায়ুন কবির জুশান; উখিয়া :

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ায় এখনো ঈদ বাজার জমে উঠেনি। গেল বছর এ সময়ে শপিং মল থেকে ফুটপাত পর্যন্ত সব খানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এবার এর ব্যতিক্রম। কেনাকাটার জন্য উখিয়া সদর একরাম মার্কেট পছন্দের জায়গা বলেছেন, কাজিপাড়া এলাকার গৃহিনী খালেদা আক্তার। তিনি বলেন, এটাই কেনাকাটার একমাত্র জায়গা। যেখানে দর-দাম করা যায়।

একরাম মার্কেটের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আদিল বলেন, ২০ রমজানের পর থেকে এখানে বেচা-বিক্রি বাড়বে বলে আশা করা যায়। কাপড় ব্যবসায়ী হুমায়ুন বলেন, এখনো ঈদ বাজার জমে উঠেনি। আরো কয়েক দিন পর জমজমাট হবে বলে তিনি মনে করেন। কথা হয় একরাম মার্কেটের বাটা দোকানের মালিক শাহজাহানের সাথে তিনি বলেন, মানুষের মাঝে শান্তি নেই। এখনো পরিবার পরিজন নিয়ে কেনা-কাটা করতে বাহির হয়নি অনেকেই। তাছাড়া চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ফলে অনেকে ঘর ছাড়া হয়েছেন। আবার রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প থেকে বের হতে না দেয়ায় ক্রেতার সংখ্যা কম।

আরেক ব্যবসায়ী জসিম বলেন, দিন যত বাড়বে বেচাকেনা তত জমজমাট হবে। বেশিরভাগ ক্রেতা এখনো কালেকশনগুলো দেখছেন, শিক্ষকসহ অন্যান্য চাকরিজীবীরা ঈদ বোনাসসহ বেতন পেলে সময় আরো কয়েকদিন পর পছন্দের কেনাকাটা সেরে নেবেন। উখিয়ায় এখন রোহিঙ্গার কারণে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার চাকরিজীবী রয়েছেন। তাছাড়া অনেকেই অসহায় নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের কেনাকাটা করে দেবেন। তাই আশা করা যায় এবার বিক্রি ভালো হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিরত তাসলিমা বলেন, কয়েক দিন এই মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে পোষাক দেখছিলেন। দোকানে ভিড় কম থাকায় পছন্দের পোষাকটি দেখে নিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করছি। একরাম মার্কেট, জিএম মার্কেট, এন আলম মার্কেটসহ উখিয়ায় প্রায় মার্কেটগুলোতে দেশীয় পোষাকের আধিক্যের পাশাপাশি বিদেশী পোষাক সংগ্রহ করে রাখেন বিক্রেতারা।

তাছাড়া রোহিঙ্গাদের দেয়া পণ্য সামগ্রী ফুটপাতে স্বল্প মূল্যে বেচাকেনা হচ্ছে। ফুটপাতের দোকানগুলোতে যে কোন ধরনের জিনিস নিত্যপণ্য সামগ্রী ক্রেতারা অনায়াসে কিনতে পারছে। ঈদের কেনাকাটায় মেয়েদের ভিড় সবচেয়ে বেশি হয়। অধিকাংশ ব্যবসায়ী জানান, এবার বেশি বিক্রি হচ্ছে জর্জেটের কাজ করা থ্রিপিচ, বিদেশি পোষাকের মধ্যে ভারতীয় বুটিকস আইটেমের থ্রিপিচ, লন, ভয়েল।

এ ছাড়া দেশীয় থ্রিপিছের কাপড়ের মধ্যে প্রিন্টের থ্রিপিচ, ব্লক, বাটিকের বিভিন্ন ডিজাইন করা থ্রিপিচ বিক্রি হচ্ছে। পাশের দোকানদার সজল বলেন, তার দোকানে বেশি বিক্রি হচ্ছে পোষাকের সঙ্গে মিল রেখে বিভিন্ন ধরনের অলংকার, গহনা, স্যান্ডেল, ব্যাগ সেই সঙ্গে প্রসাধনী।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.