ব্লুটুথ হেডফোনের সঙ্গে মোটামুটি সবার কমবেশি পরিচয় আছে। তাই ওয়্যারলেস ইয়ারফোনের আবির্ভাবে খুব একটা সাড়া পরার কথা না। কিন্তু এটা যে স্যামসাং এর পণ্য। আর এর বেশ কিছু স্পেশালিটি আছে।
যেমন, ব্লুটুথ হেডসেটের মতো এগুলো অতো বড় নয়। আবার ব্লুটুথ হেডসেট সাধারণত ছিল এক কানের জন্যে। আর যেগুলো দু’কানেই ব্যবহার করা যেত, সেগুলো পরস্পর তার দ্বারা যুক্ত ছিল।
কিন্তু এই প্রথম এমন ইয়ারফোন এল যা পরস্পরের সঙ্গে তো যুক্ত নয়ই, এমনকি তার ছাড়াই স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত হবে। ফলে এর একটি আলাদা আবেদন আছে। এটা চিরায়ত হেডফোনের মতোই দেখতে। কিন্তু এর ইয়ারবাডগুলো আলাদা, তারহীন। তাছাড়া এটা একটানা ৯০ মিনিট সার্ভিস দিতে পারবে।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এটাতে সরাসরি চার্জ দিতে হবে না! গিয়ার আইকন এক্সের সঙ্গে যে বক্স আপনাকে দেয়া হবে আপনি সেই বক্সে এদের রেখে চার্জ দিতে পারবেন। অর্থাত্ এর বক্সই এর চার্জার পোর্ট হিসেবে কাজ করবে। স্যামসাং এর নাম দিয়েছে ‘গিয়ার আইকন এক্স’।
এর সবচেয়ে বড় ফিচার হচ্ছে এটা স্মার্টফোন ছাড়াও মিউজিক চালাতে পারবে। কারণ এর নিজস্ব মেমোরি আছে। আইকন এক্স ৪ জিবি মেমেমোরি সম্পন্ন। স্যামসাং জানায় এগুলো তিন রঙের হবে যথা- সাদা, কালো এবং নীল। তাছাড়া এটা ওয়াটারপ্রুফও। আর দেখতেও বেশ স্টাইলিশ।
ফলে এটা স্যামসাংয়ের সামগ্রিক বাজারকে বেশ চাঙা করবে বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে। এর আরেকটি চমক হলো, এটা আইফোনের আগেই বাজারে চলে আসছে। বেশ কিছুদিন আগে আইফোন ঘোষণা দিয়েছিল তাদের আইফোন সেভেনে কোনো ইয়ারফোন পোর্ট থাকবেনা। তারা এ সংক্রান্ত একটি পেটেন্টও করেছিল। তাদের সেই পেটেন্টে দেখা গিয়েছিল, তাদের প্রস্তাবিত হেডসেট তার ছাড়াই মোবাইলের সঙ্গে যুক্ত হবে। কিন্তু সেই ইয়ারফোনের ইয়ারবাডগুলো পরস্পরের সঙ্গে তার দিয়ে যুক্ত ছিল। তাই অনেকেই আশা করছেন, স্যামসাং এর এই নতুন ইয়ারফোন আইফোন সেভেনেও হয়তো ব্যবহার করা যাবে।
নতুন প্রযুক্তির এই ইয়ারফোনের দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ ডলার। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে এই ইয়ারফোনগুলো বাজারে বেশ ভালো সাড়া ফেলবে। কারণ এগুলো শুধু ব্যতিক্রমই নয়, দেখতেও বেশ আকর্ষণীয়। এখন দেখা যাক এই ব্লুটুথ ইয়ারফোন আসলেই স্যামসাং এর প্রত্যাশা মেটাতে পারে কিনা?
সূত্র:risingbd.com
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"




You must be logged in to post a comment.