
এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কোরবানের শেষ মুর্হুতে জমে উঠে কক্সবাজারে ঈদগাঁওর দ্বিতীয় বৃহৎ পশুর হাট। হাটে বৃহত্তর এলাকার গ্রামগঞ্জ থেকে ছোট-বড় গরু-মহিষ এনেছেন বিক্রেতারা।
৯ জুলাই (শনিবার) দুপুরের পরপরে কোরবানি পশুর হাটে নানা সাইজের গরু মহিষে ভরে উঠে। দাম কম বেশির দিকে চেয়ে না থেকে ক্রেতারা কিন্তু কোরবানীর পশু কিনে নিচ্ছেন হরদম।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কস্থ ঈদগাঁওর স্টেশনের দীর্ঘলাইন জুড়ে কোরবানী পশু হাট জমে উঠে।
তবে হাটে দেশীয় মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি ছিল। তাই এ জাতের গরু-মহিষের দামও তুলনামূলক বেশি। পাশাপাশি বড় আকারে গরু ও মহিষ চোখে পড়ে। যেসব ক্রেতারা কোরবানী করার লক্ষে পশু ক্রয় করেননি। শেষ মুর্হুতেই ঈদগাঁওর বিশাল পশুর হাট থেকে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে নিয়ে কাঙ্খিত বা পছন্দ মোতাবেক গরু-মহিষ ক্রয় করতে চোখে পড়ে।
পশুর বাজারে আসা স্থানীয় কয়জন জানালেন, কোরবানির জন্য দেশীয় মাঝারী আকার গরুর দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। শেষ মুর্হুতে বেচাবিক্রি ভাল হয়েছে।
দেখা যায়, গরু মহিষ রাখার জন্য আলাদা পরিসরে সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা টহলে রয়েছে। জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ রয়েছে এ পশুর হাটে। বৃহত্তর ঈদগাঁও উপজেলা লোকজন ছাড়াও রামু এবং চকরিয়া উপজেলা বিভিন্ন পাড়া মহল্লা থেকেও আসছে কোরবানীর গরু-মহিষ কিনতে। তবে এ বাজারে কোরবানীর পশু কিনতে এসেছেন জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরাও। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটেছে বিশাল এই পশুর হাটে।
বাজারের ইজারাদার রমজান কোম্পানী জানান, এই হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশী টহল অব্যাহত রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতা যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পশু ক্রয় করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়। এই বাজারের সৌন্দর্য বাড়াতে তোরণও স্থাপন করা হয়েছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.