সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / টেকনাফে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কঠোর ভূমিকায় উপজেলা প্রশাসন

টেকনাফে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কঠোর ভূমিকায় উপজেলা প্রশাসন

giasuddin-280916-news-1pic-1

গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ :

টেকনাফে বিভিন্ন এলাকায় বাল্য বিবাহের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। এই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে কঠোর ভুমিকা হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রশাসনের চোঁখকে ফাঁকি দিয়ে বাল্য বিবাহের মত অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে দিনের পর দিন। বিভিন্ন সুত্রে খবর নিয়ে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলাসহ কক্সবাজার জেলার আনাচে-কানাচে বেড়ে গেছে বাল্য বিবাহ প্রথা, এই বাল্য বিবাহ বেড়ে যাওয়ার একমাত্র কারন হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া ও কম বয়সি কিশোর-কিশোরীদের অবুঝ প্রেম কাহিনী নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর বাল্য বিবাহের প্রতিরোধে থেমে যায় দীর্ঘ দিনের এক অবুঝ প্রেম কাহিনী। খবর নিয়ে আরো জানা যায়, চকরিয়া উপজেলা খুটাখালী এলাকার প্রবাসী মো. ইব্রাহীমের কন্যা কিশোরী ফারজানা আকতার (১৪) ও হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুড়া এলাকার মনু মিয়ার ছেলে কিশোর রাশেদুল ইসলাম (১৭) প্রেমের টানে পালিয়ে আসে ছেলের নিকট আত্মীয় জাদিমুড়া এলাকার আবুল কাশেমের বাড়ীতে। অথচ আবুল কাসেম তাদের বয়সের কথা চিন্তা না করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার চেষ্টা করে। কিন্তু আবুল কাসেম জানেনা বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন। সেই সুত্র ধরে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় বাল্য বিবাহের গোপন সংবাদ পেয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম ও সহকারী কমিশনা (ভূমি) মোমেনা আকতার, মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকতা মো. আলমগীর কবির নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে বন্ধ করে দেয় বাল্য বিবাহ এবং বাল্য বিবাহের সহযোগীতাকারী বাড়ীর মালিক আবুল কাশেমকে ডেকে এনে বাল্য বিবাহ বন্ধ করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন। তার পাশাপাশি যত দিন পর্যন্ত তাদের বিয়ের বয়স পূর্ণ না হবে তত দিন পর্যন্ত তাদের বিয়ে দেওয়া যাবে না। পালিয়ে আসা দুই কিশোর কিশোরীর কাছ থেকে বাল্য বিবাহে আবদ্ধ না হওয়ার জন্য মুছলেকা নেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আলী মেম্বারসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আর চকরিয়া খুটাখালী এলাকা থেকে পালিয়ে আসা কিশোরী ফারজানা আকতার (১৪) কে তার পরিবারের নিকট পাঠিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবির জানান, পালিয়ে আসা দুই কিশোর কিশোরী যাতে বাল্য বিবাহ করতে না পারে সে বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার মো. আলীকে যোগাযোগ রাখার জন্য বলা হয়েছে এবং কিশোরী ফারজানা আক্তারকে তার পরিবারের নিকট পাঠিয়ে দেয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.