
তিন হাজার টাকার মোবাইলের জন্য নির্মম বলি হতে হল কিশোর সোহেল রানাকে। শুধু এই ফোনটি ছিনিয়ে নিতে ঘাতক তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। আসামি ফরহাদ খলুকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুরে বিচারিক হাকিম কাজী মহসীনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে গিয়ে খুনের ঘটনার বর্ণনা দেয় ঘাতক খলু। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
সকালে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ খলুকে সঙ্গে নিয়ে তেয়ারিখোলা গ্রামের একটি পুকুরের কচুরিপানার স্তূপ থেকে সোহেল রানার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে। তার আগের দিন সোমবার ঠিক একই পুকুরে ভাসমান অবস্থায় রানার মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়।
সোমবার রাতভর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে খলু রানাকে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার কথা স্বীকার করে।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত রোববার রাতে পাশের বাড়ির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঘর থেকে একা বের হয় সোহেল রানা। কিন্তু রাত গড়িয়ে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত সে আর বাড়ি ফিরে যায়নি। কিন্তু এদিন বিকেলে একই গ্রামে মামা আবুল কালামের নতুন বাড়ির পুকুরে রানার মাথাবিহীন দেহ ভেসে উঠে।
মতলব দক্ষিণ থানার ওসি স্বপন কুমার আইচ জানান, এই ঘটনায় নিহতের বড়ভাই সোহাগ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সূত্র: somoynews.tv- ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.