
আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা নিয়ে বার কাউন্সিলের জারি করা নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। ৩ হাজার ৫৯০ জনের পক্ষে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ আবেদন করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
পরে এক বার্তায় শিশির মনির বলেন, বার কাউন্সিলের ২৬ জুলাই দেওয়া নোটিশে ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বরের সংশোধিত বার কাউন্সিল রুলের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অবশ্যই দ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষার সুযোগ বর্তমান পরীক্ষার্থীরা পাবেন। অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার অর্থই হলো বর্তমান পরীক্ষার্থীরা আগামী ২৬ তারিখের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
এ রুল সংশোধন করা হয়েছে বর্তমান পরীক্ষার্থীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য। এছাড়া এ সংশোধনের আর কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। বার কাউন্সিল সংশোধিত এ রুলসের উদ্দেশ্য ব্যাহত করেছে। ফলে এ নোটিশ কার্যকর হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, বার কাউন্সিল ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর নোটিশ দিয়ে জানায় যে আগে যারা এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করেছেন, তাদের নতুন করে এমসিকিউ পরীক্ষা দিতে হবে না। হঠাৎ করে গত ২৬ জুলাই এসে বলছে যে তারা লিখিত পরীক্ষার সুযোগ পাবেন না। এক মুখে দুই কথা আইনের দৃষ্টিতে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
২৬ জুলাই দেওয়া নোটিশের একটি অংশে বলা হয়, এনরোলমেন্ট এমসিকিউ পরীক্ষায় একবার উত্তীর্ণ হলে পরপর দুইবার লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে জারিকৃত গেজেটে (১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং তারিখে প্রকাশিত এসআরও নং ৩৬৭-আইন/২০১৮) বিদ্যমান রুলস সংশোধন করে “ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে” মর্মে উল্লেখ রয়েছে। এ সংশোধনীটি করা হয় ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর। ফলে ওই তারিখের আগে যারা একবার লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন, তারাদ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। তবে যদি সরকার এ সংশোধনীটির প্রয়োগে ভূতাপেক্ষভাবে প্রয়োগ করার বিধান উল্লেখ করে কোনো সংশোধনী দেয়, কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বরের আগে যারা একবার লিখিত পরীক্ষা দিয়েছেন, তারাও দ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষা দিতে পারবেন।
সূত্র:deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.