সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / হাজিরপাড়া সড়কে ঠিকাদারের গাফিলতিতে সীমাহীন দুর্ভোগ

হাজিরপাড়া সড়কে ঠিকাদারের গাফিলতিতে সীমাহীন দুর্ভোগ

উখিয়া সদর থানা সংলগ্ন হাজিরপাড়া সড়কের এমনই দৃশ্য

হুমায়ুন কবির জুশান; উখিয়া :
কক্সবাজারের উখিয়া সদর থানা সংলগ্ন হাজির পাড়া সড়কটির দারোগা বাজারের মুখ হতে কাজি অফিস পর্যন্ত আধা কিলোমিটারের চেয়ে কম পাকাকরণের জন্য শুরু হওয়া কাজ নয় মাসেও শেষ হয়নি। এই পর্যন্তই থেমে থেমে সহকারি পুলিশ সুপার কার্যালয় পর্যন্ত হয়ে থেমে আছে কাজ। ঠিকাদারের গাফিলতিতে আর এগোয়নি। বর্ষায় কাদাযুক্ত এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগের অন্ত ছিল না।

স্থানীয় কাজি পাড়া এলাকার মহিউদ্দিন বলেন, গ্রামবাসি মুরব্বিরা চলাচলের অযোগ্য রাস্তা দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্যে মসজিদে যেতে পারেনি। হাজিরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আয়াছ বলেন, বর্ষার সময়ে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে না পারার কথা আমরা ভুলিনি।

স্থানীয় যুবক সৈয়দুজ্জামান বলেন, জুলাই মাসে আমার বড় বোনের বিয়ের দিনে বর যাত্রী গাড়ি নিয়ে আসতে পারেনি। ঠিকাদার রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যায়। কাজ করার আগেই ইট তুলে নিয়ে যাওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়ে এলাকার প্রতিটি মানুষের কষ্টের যেন শেষ নেই।

কাজি জাহাঙ্গির বলেন, যে সামান্য রাস্তার কাজ হয়েছে তাও নিম্নমানের। রাস্তার সাইডে মাটি দেয়া হয়নি। ঢালায়ের পর পানি দেয়া হয়নি। অবশেষে আল্লাহর পক্ষ থেকে গত তিন দিন ধরে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তার জন্যে ভাল হয়েছে। কাজিপাড়া, মৌলভিপাড়া, হাজিরপাড়া, খয়রাতিপাড়া, দোছড়ি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ উখিয়া দারোগা বাজারে আসার একমাত্র রাস্তাটি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসির জন্য এটি অভিশপ্ত হয়ে ওঠে। গ্রামের শাক সবজিসহ অন্যান্য মালামাল আনা-নেয়া তো দূরের কথা, মানুষের হাঁটাচলাই চরম সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বাড়ি-ঘর নির্মাণের নির্মাণ সামগ্রী এমন কি সিমেন্ট পর্যন্ত মাথায় করে আনা নেওয়া করতে হচ্ছে।

টমটম চালক মোহাম্মদ জনিম উদ্দিন বলেন, আমরা এখনো টমটম নিয়ে ষ্টেশনে যেতে পারি না। গাড়ি নিয়ে যেতে খুবই কষ্ট হয়। রাস্তাটি আগের মতো কাচা থাকলেও গাড়ি নিয়ে চলাচল করা যেত। কিন্তু এখন আর সেই অবস্থা নেই।

স্কুল শিক্ষক জাফর আলম বলেন, বাড়ি থেকে বের হয়ে গাড়ি নিয়ে উখিয়া সদর ষ্টেশনে যাওয়ার জন্যে কাজি পাড়া এসেই নেমে যেতে হয়। হেঁটে ষ্টেশন ও বাজারে যাওয়া লাগে। এলাকার সাংবাদিকসহ সচেতন লোকজন এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু ঠিকাদার কাজ করবে বলে এই দিন সেই দিন করছেন।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.