
সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পেয়ে প্রায় ১৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো খুনের দায়ে অভিযুক্ত এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ড্যানিয়েল লুইস লি নামের এই আসামি খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পেয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন।
এর আগে সোমবার দেশটির একটি আদালতের বিচারক অমীমাংসিত আইনি চ্যালেঞ্জের কারণে বেশ কিছু মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সাজা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ বাতিল করে অনুমতি দেয়ায় ড্যানিয়েলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের যুক্তি ছিল, প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ‘অমানবিক’ এবং ‘অপ্রচলিত সাজা’। এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে আবেদন করায় দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বেশ কয়েকজন গুরুতর আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ঝুলে ছিল।
দেশটি সুপ্রিম কোর্টে পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজা কার্যকরের পক্ষে ৫-৪ ভোটের রায় আসে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, তারা পুনরায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু করবে। মঙ্গলবার সকালের দিকে ইন্ডিয়ানার টেরে হওতের একটি কারাগারে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগে ড্যানিয়েলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
ড্যানিয়েল ও অন্যান্য আসামিদের স্বজনরা ইনজেকশন প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিরোধিতা করে তা স্থগিতের আবেদন জানিয়েছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, এভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে সেখানে তাকে দেখতে গেলে স্বজনদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
১৯৯৬ সালে আরকানসাসের আর্লিন পিটারসনের (৮১) মেয়ে, নাতনি এবং পূত্রবধূকে হত্যা করেছিলেন লি। পিটারসন বলেন, তিনি চেয়েছিলেন ৪৭ বছর বয়সী এই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হোক। লির এক সহযোগী এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
সূত্র: deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.