
কামাল শিশির; রামু :
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালির জামতলী শরণার্থী শিবিরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা নিহতের ঘটনায় উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত স্ত্রী। নিহত আবু তালেবের স্ত্রী তৈয়বা খাতুন (৩০) বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় ৫ জনকে এজাহারনামীয় আসামি ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, উখিয়ার জামতলী ১৫ নং ক্যাম্পের ব্লক সি/১ এর আব্দুর রহিমের ছেলে হেডমাঝি (নেতা) আবু তালেব (৪০) ও একই ক্যাম্পের সি/৯ এর ইমাম হোসেনের ছেলে সাব ব্লক মাঝি (নেতা) সৈয়দ হোসেন (৩৫) বাদীর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা হলেন- জাফর আলমের ছেলে মাহামুদুল হাসান (২৭), মৃত সোনা আলীর ছেলে সাহ মিয়া (৩২) ও তার ভাই আবুল কালাম ওরফে জাহিদ আলম (২৫), মৃত রশিদ আহম্মেদের ছেলে জাফর আলম (৫৪) ও তার ছেলে মো. সোয়াইব।
এরা সবাই জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করে।
পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ডাবল মার্ডারের সঙ্গে আবুল কাশেমের ছেলে সাবমাঝি রেজাউল আলম (৪২), জাফর হোসেনের ছেলে সাবমাঝি মো. ইয়াছিন এবং ইসমাঈলের ছেলে (ভলান্টিয়ার) নুর মোহাম্মদ (৩২) জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, গুলিবিদ্ধ আবু তালেব মৃত্যুর পূর্বে মাহমুদ হাসান ও জাফর আলমসহ আরও কয়েকজন মিলে তাদেরকে গুলি করেছে মর্মে নাম বলে গেছে। অভিযুক্তরা এক সময় আরসার সঙ্গে জড়িত ছিল। কিন্তু এখন নবী হোসেনের হয়ে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
এদিকে রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) গতকাল বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে একজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছেন ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরান হোসেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ শিহাব কায়সার বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.