
গরু চুরি
নিজস্ব প্রতিবেদক; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওত ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোর সিন্ডিকেট চক্র। যাতে করে লোকজন চরম আতংকে রয়েছে। সচেতন লোকজনের মতে, রাত্রীকালীন সময়ে পুলিশী টহল করা হোক।
জানা যায়, গত ৯ই অক্টোবর রাত্রে ঈদগাঁও দরগাহ সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পেছনে মা কুলিং কর্ণারে দোকানের চারটি তালার মধ্যে তিনটি ভেঙ্গে আর একটি তালা ভাঙ্গতে না পেরে এবং লোকজন চলাচল করায় চোরদল চুরি কর্মকান্ড করতে পারেনি। ইসলামাবাদে ১১ অক্টোবর গভীর রাত্রে এক বসতবাড়ীর ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে বাহির থেকে বেশ কিছু জিনিসপত্র নিয়ে যায় চোরেরা। একইদিন রাত ১২টার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের চান্দেরঘোনা এলাকা থেকে ৭টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। তৎমধ্যে জকিরের ৩টি, আবদু রহমানের ২টি, মনজুরের ১টি ও আলী আহমদের ১টি গরু বলে জানা গেছে।
গরু চুরি হওয়ার পর থেকে মালিকরা সম্ভব্য নানা স্থানে খোজঁ নিচ্ছে। অনেকে তাদের পালিত পশু চুরি হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার মিজানুর রহমান মহসিন জানান, এলাকা থেকে রাত্রে সাতটি গরু চুরি হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে খোঁজখবর নেন বলেও জানান।
সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘকাল চুরি কর্মকান্ড বন্ধ থাকার পর ফের নতুন রুপে গরু চুরি হওয়ায় সাধারন লোক জনের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে। রাতে বৃহত্তর এলাকার বিভিন্ন স্থানে চুরি কর্মকান্ড প্রতিরোধে পুলিশী টহলের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশ সদস্যরা যদি স্ব স্ব গ্রাম পাহারা দিলে হয়তো কিছুটা হলেও পরিত্রান পাবে এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম উদ্দিন কক্সভিউ ডট কম’কে জানান, ঈদগাঁও থেকে পুরনো পুলিশ অফিসারেরা বদলী হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আবারো গরু চোরসহ অপরাধীরা মাথাচড়া দিয়ে উঠেছে। সেক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশের দায়িত্বশীল এএসআই মহি উদ্দিনকে পুনরায় তদন্ত কেন্দ্রে আনলে হয়তো এলাকা থেকে অপরাদ অপকর্ম নিমূল হবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল কায়েস আখন্দ জানান, রাত্রে পুলিশী টহলের জন্য তিনটি টিম করা হয়েছে। চুরি কর্মকান্ড শক্ত হাতে দমন করা হবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.