রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাঠে নামার আগে মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছিলেন, উইকেট পাওয়ার লোভে খেলেন না তিনি। খেলেন নিছক আনন্দ পাওয়ার জন্য। সেই আনন্দের মাঝে যদি কিছু আসে সেটাই নাকি বাংলাদেশের কাটার বয়ের কাছে বড় প্রাপ্তি। শুনেছি, মজায় মজায় শেখা যায়। এখন দেখছি মজায় মজায় উইকেটও পাওয়া যায়! এমন শোনা এবং দেখাটা সম্ভব হলো মুস্তাফিজুর রহমানের জন্যই!
প্রথমবারের মতো আইপিএলে খেলতে গেছেন মুস্তাফিজ। একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে ছিল ঘোর সন্দেহ। ভয়টা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্য! ব্যাটে-বলে যিনি সমান তালে খেলে যান, তাকেই উপেক্ষা করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের শঙ্কাটা ছিল এভাবে, বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মুস্তাফিজকেও বোধ হয় একাদশে রাখবে না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ!
সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে কাটার মাস্টারকে একাদশে রেখেছে হায়দরাবাদ। আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন মাত্র ২৬ রান। তুলে নিয়েছেন মূল্যবান দুটি উইকেট। যে উইকেট দুটি না ফেলতে পারলে হায়দরাবাদের কপালে বড় দুর্ভোগই ছিল।
বিরাট কোহলিকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান বিনয় কুমার। এরপর ক্রিজে আসেন নবম আসরের নিলামে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় শেন ওয়াটসন। নেমেই কী তাণ্ডব! করন শর্মার ওভারে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে হায়দরাবাদ শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিলেন অসি অলরাউন্ডার। কিন্তু মুস্তাফিজের স্লোয়ারে কাবু হলেন তিনি। নোয়ান ওঝার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ওয়াটসন ফিরে গেলেন সাজঘরে। তার আগে ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এবি ডি ভিলিয়ার্সকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে পরাস্ত করেন মুস্তাফিজ।
এতো গেল শেষের দুই ওভারের কথা। এর আগে প্রথম স্পেলে দুই ওভারে মুস্তাফিজ দিয়েছিলেন মাত্র ১০ রান। যেখানে কোহলি-ভিলিয়ার্সের কড়া শাসনের মুখে পড়েছিলেন হায়দরাবাদের বোলাররা। কোহলি-ভিলিয়ার্সের ঝড়ের মাঝেও অবিচল ছিলেন তিনি। আইপিএলে অভিষেক ম্যাচেই আলো ছড়ালেন মুস্তাফিজ। চেনালেন নিজের জাত। শাবাশ কাটার মাস্টার!
সূত্র:বাংলামেইল২৪ডটকম,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.