
ফাইল ছবি
সরকার ইউনেসকোর কাছ থেকে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এগিয়ে নিতে ছাড় পাওয়ার দাবি জানিয়েছিল। তবে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সুন্দরবন ও রামপাল বিষয়ে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্রের ৪১তম সভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
রোববার সুন্দরবন ও রামপাল বিষয়ে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্রের ৪১তম সভার সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছ।
এতে দেখা যাচ্ছে, রামপাল প্রকল্পের প্রভাব নিয়ে সুন্দরবন এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কৌশলগত পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (এসইএ) করতে অনুরোধ করেছে জাতিসংঘের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থার (ইউনেসকো) বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্র।
এই সমীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো বৃহদাকার শিল্প অবকাঠামো নির্মাণ না করতে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি। ফলে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক সংস্থাটি যেসব আপত্তি তুলেছিল, সেগুলো বহাল রইল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে রামপাল প্রকল্প এগিয়ে নিতে ছাড় পাওয়া গেছে মর্মে সরকার যে বক্তব্য দিয়েছিল, সেটি সঠিক নয়।
এ বিষয়ে জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ইউনেসকোর মূল আপত্তি ছিল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে। তারা খসড়া সিদ্ধান্তে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবি রেখেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের যুক্তিতর্কে সন্তুষ্ট হয়ে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি রামপাল প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আপত্তি তুলে নিয়েছে। ফলে এখন আর রামপাল প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যেতে বাধা নেই।
তবে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪১তম সভায় পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার কিপার্স অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরিফ জামিল। তিনি জানান, ইউনেসকো রামপাল প্রকল্প নিয়ে তাদের অবস্থান রিঅ্যাক্টিভ মনিটরিং প্রতিবেদনে পরিষ্কার করেছে। সেখানে তারা রামপালসহ সুন্দরবনের চারপাশে সব ধরনের শিল্পকারখানা ও অবকাঠামো না করার সুপারিশ করেছিল। রোববার প্রকাশিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে রিঅ্যাক্টিভ মনিটরিং রিপোর্টের সুপারিশের বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। তার মানে দাঁড়াচ্ছে, রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র করা যাবে না।
সূত্র:ইতি আফরোজ/priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.