এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
শিক্ষা-শান্তি ও প্রগতির হাতে গড়া এবং দক্ষিন এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,দীর্ঘ দুই বছর পর ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি বিলুপ্তির পরপরই নতুন কমিটি তে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রনেতারা। তবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতে, দলের দু:সময়ে মাঠে অবস্থান করা পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করলে আগামী দিনে ছাত্রলীগের অবস্থান হবে শক্তিশালী। অন্যথায় মাঠ চাঙ্গা রাখা কষ্টকর হবে বলেও মত প্রকাশ করেন।
ইতোমধ্য উপজেলা ছাত্রলীগের আসন্ন কমিটিতে নিজেদেরকে স্থান করে নিতে জেলায় ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতাদের কাছে ধর্ণাও দিয়ে যাচ্ছে নেতারা। দীর্ঘকাল মাঠে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে লড়াই করে যাওয়া পদ প্রত্যাশী ছাত্রনেতারা জেলা সদরে কোন কর্মসূচী বাদ দিচ্ছেনা। সে সাথে ছাত্রলীগের নতুন কান্ডারী হতে শুরু হয়েছে দৌড়ঝাঁপ। আবার অনেক নেতা সকাল থেকে রাত কিংবা টানা কক্সবাজারে অবস্থান করে যাচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই নতুন নেত্বত্বে হাল ধরা।
ঈদগাঁওর অধিকাংশ নেতাকর্মীদের মুখে শোভা পাচ্ছে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে আসতে ইতোমধ্যে সভাপতি পদে তৎপরতা বা লবিং চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রনেতা দেলোয়ার (ছৌফলদন্ডী), বোরহান উদ্দিন মাহমুদ (ঈদগাঁও), ইমরানুল হক জিকন (ঈদগাঁও), রাশেল উদ্দিন রাশেল (ঈদগাঁও), তানজিদ ওয়াহিদ লোটাস (চৌফলদন্ডী)। তবে সম্পাদক হিসেবে অবস্থান করছেন ছাত্রনেতা ইরফানুল করিম।
এলাকার রাজনীতিবীদদের মতে, সৎ, যোগ্য, নম্র, ভদ্র ও ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের দু:সময়ে রাজপথে অবস্থান করা ছাত্রনেতাদেরকে কমিটি দেওয়া হোক।
উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৬ সালের জুলাই মাসের ২৯ তারিখ ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের ছয় সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন প্রদান করেছিলেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ জয় এবং তৎকালীন সাধারন সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ। চলতি বছরের গত ৩১ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সাক্ষরিত সূত্রে মতে, ছাত্রলীগ জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.