এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে ডিজিটালের যুগে
প্লাস্টিক সামগ্রীর পাশাপাশি বাঁশ ও বেতের কদর বেড়েছে।
বৃহত্তর এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে ব্যবসায় পুঁজি খাটিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেক বাঁশ-বেতের সামগ্রী দিয়ে। বর্তমান সময়ে প্লাস্টিকের হরেক রকমের সামগ্রী পর্যাপ্ত পাওয়ায় এখন বাঁশ ও বেত হারিয়ে যাচ্ছে অনায়াসে। পূর্বেকার দিনে বৃহত্তর ঈদগাঁওর অধিকাংশ লোকই বাঁশ-বেতের টুকরি, খাচা, চাটাই, খলই ইত্যাদি বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত।
বয়োবৃদ্ধ আহমদ হোসনসহ কয়জন জানালেন, এক সময়ে ছেলে আর বুড়ো থেকে শুরু করে কিশোরী গৃহিণীরা সবাই ব্যস্ত বাঁশ-বেতের তৈরি বিভিন্ন সাংসারিক সরঞ্জাম তৈজসপত্র তৈরিতে। এখনকার দিনে খোঁজলেও হয়ত মিলবেনা এসব জিনিস। পূর্বেকার দিনের বেশিরভাগ মানুষ এই পেশা থেকে অন্য পেশার চলে যাচ্ছেন বা গেছে। বাপ-দাদার এই কাজে তেমন আর আয় নেই। পাহাড়ের চারদিকে বাঁশ-বেত উজাড় হওয়ার কারণে তা সহজেই মিলছেনা। ফলে বাঁশের পণ্য তৈরিতে কাঁচামাল সংকটের কারণে ও অনেকে আগ্রহ দেখাননা এসব কাজকর্মে।
আরো জানা যায়, গ্রাম বাংলার মানুষের সাংসারিক কাজের বেশিভাগ জিনিস এ শিল্পের মাধ্যমে চাহিদা মিটিয়ে আসত। কিন্তু দিন বদলের এই যুগে সবখানে প্লাস্টিক সামগ্রী ছেয়ে গেছে। যাতে করে বাঁশ ও বেতের সাহায্যে কতইনা কারুকায্যের দিন শেষ। মাছ শিকারের যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে অনেকটাই বানানো হয় বাঁশ-বেত শিল্পের মাধ্যমে। সবই তছনছ করে তার উপর ভাগ বসালো প্লাস্টিক সামগ্রী।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.