আর দু’দিন পা হলেই নতুন বছরে পা দেবে। তাই বছরের শুরুতেই সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতেও বই উৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি শেষের দিকে বললেই চলে। আর এ লক্ষ্যে প্রহর গুণছে শিক্ষার্থীরা। মাধ্যমিক ও প্রাথমিকের বই ইতোমধ্যে সকল বিদ্যালয়ে পৌছে গেছে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ। এমনকি বৃহত্তর এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শেষে ফলাফলও ঘোষিত ইতোমধ্যে হয়েছে। এখন নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নেওয়ার অপেক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা। অপরদিকে বই বিতরণে প্রস্তুত বিদ্যালয়গুলো।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মতে, কক্সবাজারের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সাড়ে ৫৯ লাখ নতুন বই এসেছে। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে স্কুলে স্কুলে বই উৎসব হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন তারা।
এদিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা সাত ইউনিয়ন- ভারুয়াখালী, পোকখালী, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, জালালাবাদ, চৌফলদন্ডী ও ঈদগাঁও এলাকায় বিভিন্ন মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বছর তথা ২০১৬ সালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে উৎসাহ ও উদ্দীপনামুখর পরিবেশে।
এ ব্যাপারে ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাব্বির আহমদের মতে, সারাদেশের ন্যায় তাঁর স্কুলেও একযোগে এ বই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান।
অপরদিকে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী শামসুল আলমের মতে, তিনিও সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী স্কুলে বই উৎসব হবে বলে জানান।
অন্যদিকে মাইজ পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদের মতে, নতুন বছরের প্রথম দিন শুক্রবার, সেদিন বেশ কিছু শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হবে।
ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষকের মতে, যথারীতি বছরের প্রথম দিন বই উৎসব পালিত হবে। আবার ইসলামাবাদ মাষ্টার বকতার আহমদ মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দীন মাহমুদ জানান- উৎসাহমুখর পরিবেশে নতুন বছরের শুরুতেই বই বিতরণ উৎসব হবে। যথাসময়ে বই তাঁর স্কুলে পৌছেছে বলেও জানান। এদিকে সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সরকার সফলভাবে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামুল্যে বই তুলে দিয়ে সারা বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। এর ফলে দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে, মানুষ লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
অন্যদিকে নতুন বছরের শুরুতেই এক সাথে নতুন বই হাতে পেলে শিক্ষার্থীরা যেমন খুশি হবে, অন্যদিকে দুশ্চিন্তামুক্ত হবে অভিভাবকরা। অন্যদিকে সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠন ঈদগাঁও লেখক সোসাইটির সভাপতি এস.এম. রুবেল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাছেরের মতে, বছরের শুরুতেই বই তুলে দিতে পারায় বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঝরে পড়া রোধের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়বে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.