
হুমায়ুন কবির জুশান; উখিয়া :
কক্সবাজারের উখিয়ায় চালের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। উখিয়া বাজারে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পাইজাম চালের দাম। এক মাসের ব্যবধানে প্রায় সব ধরণের চালে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে আট টাকা বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। সিলেট এলাকায় অতি বৃষ্টি ও বন্যার কথা বলে দোকান মালিকরা এই দাম বাড়িয়েছেন। আবার অনেকে মিল মালিকরা এই চালের দাম বাড়িয়েছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান। তাদের অতি লাভের প্রবণতার কারণে চালের বাজারে অস্থিরতা চলছে বলে জানান খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। মোটা চালের দাম এখন কেজি প্রতি ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা। আর দিনাজপুরি পাইজাম কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। এক দু সপ্তাহ আগেও যে চালের দাম ছিল প্রতিকেজিতে পাঁচ থেকে আট টাকা কম।
খুচরা ও পাইকারি চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে বর্তমানে চালের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবুও চালকল মালিকরা কয়েক দফায় দাম বাড়িয়েছে। অটোরাইস মিলারদের কাছে মৌসুমে কম দামে কেনা ধান-চাল এখনও প্রচুর। তবে কৃষকদের কাছে এখন তেমন ধান নেই। এ কারণে চাল বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তদারকি ব্যবস্থা জোরদার হলে চালের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স ছয়তারা রাইচ এন্ড ফ্লোর মিলস মালিক কতৃপক্ষ বলেন, বন্যার কথা বলে চাল এখন চলে যাচ্ছে সিলেটে। তাছাড়া সরকার অনেক আগে থেকেই বাজার দামের চেয়ে বেশি দামে চাল কেনার ঘোষণা দেয়ায় তখন দাম বাড়তে শুরু করে। এখন মৌসুমের শেষ সময়ে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি বেড়ে গেছে। মৌসুমের নতুন ধান এলে আবার তা কিছুটা কমবে। বাজারে চালের দামের এই অস্থিরতায় সাধারণ মানুষ কিন্তু অসহায়। এখন যে নাজিরশাইল ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা গত বছর ছিল ৪৪ টাকা।
উখিয়া পাইকারি চালের আড়ত ঘুরে দেখা যায় এক মাসের ব্যবধানে প্রতি বস্তায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়ে গেছে। হঠাৎ চালের এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.