হুমায়ুন কবির জুশান,উখিয়া:
আইন আছে প্রয়োগ নেই,তদারককারী প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু কোন তদারকি নেই। আর এ সুযোগেই একেবারে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে বাড়িভাড়া। উখিয়াতে বাড়িওয়ালারা ইচ্ছামাফিক বাড়িয়ে দিচ্ছে বাড়িভাড়া। অভিযোগ রয়েছে, কোথাও বছরে একবার, কোথাও দুইবার, আবার কোথাও তিনবারও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অথচ বাড়িভাড়া আইনে পরিস্কার বলা আছে-ভাড়াটিয়ার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দুই বছর অন্তর মাত্র ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধি করা যাবে। কিন্তু এ আইনের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। এনজিওতে কর্মরত মোহাম্মদ আনোয়ার। মাসে মোট বেতন পান ১৪ হাজার টাকা। ৪ হাজার টাকা চলে যায় বাড়ি ভাড়ায়।
গ্যাস সিলিন্ডার ও বিদ্যুৎ বিলে গুণতে হয় ২ হাজার টাকা। বাকি টাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অসুখ-বিসুখ সামলাতে তো হয়। তাহলে বিনোদন, আতিথেয়তাই কিভাবে সামলাবেন? এভাবে ক্ষোভের সঙ্গে এ প্রতিবেদককে কথাগুলো বলেন, কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও কর্মী আনোয়ার।
তিনি বলেন, যে বেতনে চাকরি করি তাতেই সব সেরে নিতে হচ্ছে। এতে সঞ্চয় তো থাকে না, বরং আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দুর্বিসহ জীবনযাপন করতে হচ্ছে। শুধু ওই এনজিও কর্মী নন, শিক্ষক ফরিদুল আলম জানান, আমাদের অবস্থা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মাস শেষে যে বেতন পায়, তাতে ২০ দিন টেনে-টুনে চলতে পারলেও বাকি ১০ দিন দোকানে বাকি করে অথবা ধার কর্জ করে চলতে হয়। তিনি আরো বলেন, শিক্ষকের বেতন বাড়লেও দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এ কারণে রক্ষা করা যাচ্ছে না সামাজিক স্ট্যাটাস। এডভোকেট তোফাইল বলেন, মাথাপিছু আয় বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। আয় হচ্ছে গাণিতিক হারে। আর ব্যয় হচ্ছে জ্যামিতিক হারে। ফলে পারিবারিক সম্পর্কও রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে ব্যয়ের পাল্লা ভারি হয়ে যাওয়ায়।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.