
হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া :
গত এক সপ্তাহের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের পানি সরাসরি আঘাত হানার কারণে কক্সবাজার টেকনাফ সড়কের ৮০ মিটার দীর্ঘ থাইংখালী ব্রীজ যেকোন সময়ে ধসে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বে লাল পতাকা উত্তোলন করে যানবাহন চলাচলে সর্তক করলেও সংযোগ সড়ক রক্ষার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন ঝুঁকিপূর্ণ থাইংখালী ব্রীজ ঘুরে জানা যায়, তৎকালীন পাক আমলে তৈরি এ দীর্ঘ এ ব্রীজের নিচের অংশে কোন গাইডওয়ালের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ২০১২ সালে ব্রীজটি পাহাড়ি ঢলের পানির স্রোতে নড়বড়ে হয়ে উঠলে সড়ক ও জনপদ বিভাগ বালি বস্তা ফেলে ব্রীজটি কোন রকম রক্ষা করে। গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রচন্ড স্রোত ব্রীজে আঘাত হানলে বালির বস্তাসহ ব্রীজের অবকাঠামো ধসে পড়ে। এমতাবস্থায় সংযোগ সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্রীজের মেয়াদকাল শেষ না হলেও এলাকার কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যক্তি খাল দখল করে নানা প্রকার অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার কারণে থাইংখালটি সংকোচিত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানি একাকার হয়ে ব্রীজে আঘাত হানলে নিচের অংশের মাটি সরে গিয়ে অবকাঠামো ধসে পড়ে। ভাঙ্গন ধরেছে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের থাইংখালী ব্রীজের সংযোগ সড়কে।
পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ এ ব্রীজটির রক্ষার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে মুঠোফোনে কথা বলার পরও তিনি ঘটনাস্থলে আসেননি এবং ব্রীজ রক্ষার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া জানান, থাইংখালী ব্রীজ রক্ষার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.