সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / চকরিয়ায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে শুক্রবার : ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা বন্ধে ইভটিজিং ও বাল্য বিয়ে বাড়ছে

চকরিয়ায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে শুক্রবার : ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা বন্ধে ইভটিজিং ও বাল্য বিয়ে বাড়ছে

প্রতিকী ছবি

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হঠাৎ করে ভেড়ে গেছে ইভটিজিং ও বাল্য বিয়ে। শুরু হয়েছে প্রকাশ্যে জুয়া, মদ্যপায়ীদের উপদ্রব, পাহাড়কাটা, নদী ও পাহাড় থেকে বালির বিকিকিনি এবং মহাসড়কে ভাসমান দোকানে ব্যবসা। উপজেলায় পৃথক পদে কর্মরত দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা বন্ধ রাখায় সামাজিক অস্থিরতাসহ এঅবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল কোর্ট চালু না হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলে যেতে পারে বলে আশংকা করেছেন বেশ ক’জন শিক্ষক ও সচেতন জনগণ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯ মে শুক্রবার চিরিংগা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডস্থ সওদাগর ঘোনা গ্রামের আলতাজ মিয়ার মেয়ে পালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ময়না আক্তারের বিয়ে। একই ইউনিয়নের বুড়িপুকুর গ্রামের গুরা মিয়ার ছেলে আবু বক্করের সাথে বিয়ে হচ্ছে ময়নার। এই বাল্য বিয়ে ঠেকাতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্বারস্থ হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

গত চারদিনে শুধুমাত্র পৌরসভাতেই আরো দুটি বাল্য বিয়ে হয়েছে। এসময়ে পাঁচটি ইভটিজিং এর ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে চকরিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে ইভটিজিংএর অভিযোগে স্কুল রোড থেকে এক কিশোরকে জনগণ পাকড়াও করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিয়ে গেলেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যবস্থা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় ওই ছাত্রীর বাবাকে ডেকে নিয়মিত মামলা নেয়। অপর চারটি ইভটিজিং এর ঘটনায় অভিভাবকরা ভবিষ্যৎ হয়রানি থেকে বাঁচতে থানায় মামলা করেনি।

এদিকে, গত সপ্তাহে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হস্তক্ষেপ করে খুটাখালীর জুয়ার আসর বন্ধ করে দিলেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে জানতে পেরে ফের জুয়ার আসর চলছে প্রকাশ্যে। অনুরুপভাবে দিনরাত জুয়ার আসর চলছে ঘনশ্যাম বাজারের কসাইপাড়ায়।

অপরদিকে, মাতামুহুরী নদীর সেতু পয়েন্ট থেকে প্রকাশ্যে বালি উত্তোলন করে বিকিকিনি শুরু হয়েছে। ডুলাহাজারায় ছড়াখাল ছাড়াও পাহাড় কেটে মাটি ও বালি বিক্রির ধুম পড়েছে। মহাসড়কের চিরিংগা স্টেশনে ভাসমান ফলের দোকান বসার পাশাপাশি যত্রতত্র পরিবহণ পার্কিং এর কারণে যানজটে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে যাত্রী ও পথচারীরা।

হঠাৎ সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি নিয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ফৌজদারী আইন সরাসরি লঙ্গন না হলে পুলিশের করার কিছুই নেই। ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু থাকলে ইভটিজিং, বাল্য বিয়েসহ দৃশ্যমান বেশ কিছু অপরাধ থেকে মুক্ত থাকে সাধারণ মানুষ।

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো.দিদারুল আলম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা নিয়ে আদালত থেকে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছিনা।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.