সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / টানা ভারী বর্ষণে ঈদগাঁওতে পানিবন্দী অসহায় লোকজনের মাঝে ঈদের আমেজ নেই

টানা ভারী বর্ষণে ঈদগাঁওতে পানিবন্দী অসহায় লোকজনের মাঝে ঈদের আমেজ নেই

এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :

বেশ কদিন ধরে অব্যাহত টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ঈদগাঁওর নিম্নাঞ্চল এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে করে, হাজার হাজার ঘরবাড়ী পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। সেসব পরিবারের লোকজনের মাঝে আসন্ন আনন্দঘন ঈদের আমেজ নেই বলে জানান অনেকে।

জানা যায়, জেলা সদরের ঈদগাঁও বাজার ছাড়াও পার্শ্ববতী বৃহত্তর ঈদগাঁওর অন্যান্য ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। তৎমধ্য ইসলামাবাদ ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রাম প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে এখনো ২/৩ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক। আবার উপকূলীয় পোকখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামাঞ্চল ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়ে ৪/৫ শত পরিবারের প্রায় ১০/১৫ হাজার লোকজন পানিবন্দী রয়েছে। সে সাথে গোমাতলীতে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে মাছের প্রজেক্টেসহ কিছু কিছু বাড়ীঘরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পানিবন্দী পরিবারের অসহায় লোকজনের মাঝে এবার ঈদের বাঁধভাঙ্গা আনন্দ ভাটা পড়বে। কারণ মানুষজন পানিবন্দী ঘরবাড়ী নিয়ে দারুণ ভাবে বিপাকে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। তবে এসব পানিবন্দী এলাকার অসহায় লোকজনের মাঝে আসন্ন ঈদের আনন্দকে ঘিরে চোখে মুখে হতাশার কালো ছায়া বিরাজ করতে দেখা যাচ্ছে। আনন্দ এখন নিরানন্দে কাটবে বলেও আশংকা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

পাশাপাশি ঢলের পানিতে ভেসে গেছে ঈদগাঁও বাশঁঘাটা হয়ে ইসলামাবাদ যাতায়াতের একমাত্র কাঠের সেতুটি। সেখানে বর্তমানে কর্মমুখী লোকজন নদীর এপার ওপার হচ্ছে নৌকা দিয়ে। জাহানারা বিদ্যালয়ের সামনে বিশাল অংশ ভেঙ্গে যোগা যোগ সড়কে বর্তমানে চলাচল বন্ধ রয়েছে। পোকখালী ও ইসলামাবাদের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষজন চলাফেরায় সীমাহীন কষ্ট পাচ্ছে। দ্রুত সময়ে যদি এ ভাঙ্গন সংস্কার করা না হয় তাহলে আরো ব্যাপক আকারে ভাঙ্গনের আশংকা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

ঈদগাঁওর ব্যবসায়ী বাবুল রুদ্র জানায়, ঈদগাঁওর পশ্চিম ভোমরিয়া ঘোনা, রুদ্র পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কুলাল পাড়ার বহু বাড়ীঘর প্লাবিত হয়ে পড়ে। পানিবন্দী হওয়া লোকজন অতিকষ্টে দিন পার করে যাচ্ছে বলেও জানান।

এ ব্যাপারে স্থানীয় দুইজন প্রতিনিধি আবদুল হাকিম ও প্রিয়তোষ পাল মুন্না জানান, তাদের এলাকায় ৫/৬ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। মেম্বার মুন্না জানান, কষ্টের বিনিময়ে কোনরকম ঈদ উদযাপন করবে পানিবন্দী এলাকার অসহায় মা বোনসহ সাধারণ লোকজন।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.