
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও রাজতন্ত্রের সংস্কারে দাবিতে ব্যাংককে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
কয়েক মাস আগেও রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ, স্লোগান, সমাবেশ থাইল্যান্ডের মতো রক্ষণশীল রাজতন্ত্রের দেশে ছিলো অকল্পনীয়। তবে দশকব্যাপী চলমান কুসংস্কার এবং ভীতি ভেঙ্গে ব্যাংককের ডেমোক্রেসি মুভমেন্টের সামনে গত এক মাস ধরে আন্দোলন করছেন থাইল্যান্ডের বিক্ষোভকারীরা। তারা ২০১৪ সালে সামরিক অভুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচার পদত্যাগ ও রাজতন্ত্রের সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।
৬ বছর আগে ক্ষমতায় আসা সাবেক সেনাপ্রধান প্রায়ুথ ২০১৯ সালের মার্চের নির্বাচনে আরও ৪ বছরের জন্য ক্ষমতা লাভ করেন। কিন্তু সোমবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থী ও তরুণরা গণতান্ত্রিক সংস্কার, সেনাবাহিনী-রচিত সংবিধানের পরিবর্তন এবং পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়ার দাবি জানান।
গত ৭ আগস্ট বিক্ষোভরত অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীী নাম্পা বলেন, আমি ভীত নই। আদালত আমাকে বিক্ষোভে অংশ না নেয়ার শর্তে জামিন দিয়েছে। কিন্তু এর মানে এটি নয় যে আমি আমার সাংবিধানিক অধিকার পালন করবো না।
আরো পড়ুন : জাতিসংঘে ইরানের ঐতিহাসিক বিজয় অর্জিত হয়েছে: রুহানি
থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্র ও রাজপরিবারের সমালোচনাকারীদের জন্য রয়েছে ১৫ বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান। সাবেক রাজা ভূমিবল থাই জনগণের জন্য কাজ করতেন এবং নৈতিকভাবে দায়িত্বশীল থাকায় থাই জনগণের কাছে পূজিত ছিলেন। কিন্তু তার পুত্র বর্তমান রাজা মহা ভাজিরালংকন বছরের অর্ধেক সময় বিদেশে বিলাসবহুল হোটেলে নারী সঙ্গী নিয়ে দিন কাটান।
প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ বিক্ষোভকারীদের রাজতন্ত্রের লঙ্ঘন করা নিয়ে শিক্ষার্থী ও তরুণদের সতর্ক করেছেন।
সূত্র:deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.