
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; বান্দরবান :
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) মধ্যে পতাকা বৈঠক নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সাত সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ককসবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মঞ্জুরুল আহসান খান। দুই দেশের সীমান্তে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে, তুমব্রু সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে আবারও জনবল বৃদ্ধি করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। গত ১ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকেই বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির তুমব্রু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে ঢুকতে আবারও প্রস্তুতি নিয়েছে মিয়ানমারের সেনারা। তুমব্রু সীমান্তের ৭টি পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া পার হতে মই বসিয়েছে তারা। মই দিয়ে গতকাল রাতে জিরো পয়েন্টে ঢুকে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল বার্মিজ সেনারা। সেই সঙ্গে নো-ম্যান্স ল্যান্ড থেকে রোহিঙ্গাদের সরে যেতে এখনও মাইকিং অব্যাহত রেখেছে তারা। কাঁটাতারে আবারও মই বসানোয় আতঙ্ক বিরাজ করছে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাঝে।
তুমরু সীমান্তের রোহিঙ্গারা জানান, আমরা সারারাত নির্ঘুম কাটিয়েছি। রাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কাঁটাতারে মই দিয়ে জিরো পয়েন্টে ঢোকার চেষ্টা করে। শুক্রবার দুপুর থেকে আবারো সেই মই বসিয়েছে মিয়ানমার। সারারাত আতঙ্কে ছিলাম, এখনও ভয়ে আছি। মিয়ানমার সেনারা যেকোনো সময় আবারো জিরো পয়েন্টে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে।
এদিকে, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশ থেকে আজ শুক্রবারও ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বেশ কয়েকটি ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যরা।
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘মিয়ানমার সেনা বাহিনীর গুলিবর্ষণ শব্দ শুনে নো মেন্স ল্যান্ডের অবস্থানরত কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলে আসেন। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।’
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.