সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / নির্বাচন সংক্রান্ত / নুরুল আবছারকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা : প্রচারণায় এগিয়ে জুয়েল : আকবর এগুচ্ছে নিরব কৌশলে : কক্সবাজারে ত্রিমূখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

নুরুল আবছারকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা : প্রচারণায় এগিয়ে জুয়েল : আকবর এগুচ্ছে নিরব কৌশলে : কক্সবাজারে ত্রিমূখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা


নিজস্ব প্রতিবেদক;

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচার প্রচারণা। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত মাইকের আওয়াজ সবাইকে মাতিয়ে রেখেছে। বিশেষ করে শ্লোগানের সাথে নানা মুগ্ধকর গানে গানে প্রচারণায় দৃষ্টি আকর্ষণ হচ্ছে ভোটারদের।

প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েল। তার প্রচারনার শ্লোগান ও গান ভোটারদের আকর্ষণ করছে। এছাড়া প্রতিদিন নৌকার পক্ষে প্রায় অর্ধশত পথসভাও হচ্ছে। একেএম মোজাম্মেল হকের পুত্র হিসেবে জুয়েল ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় গণসংযোগে বেশ সুবিধায় রয়েছেন জুয়েল। কারণ আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নের নেতা কর্মীরা নৌকার কর্মী হিসেবে সরাসরি মাঠে কাজ করছেন। যা প্রতিদ্বন্দ্বি অন্য দুই প্রার্র্থীর সেই সুযোগ নেই। তাই জুয়েল একজন শক্তিশালী প্রার্থী হয়েছেন। নৌকায় ভোট পড়লে তিনি হতে পারেন কক্সবাজার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান।

নুরুল আবছার প্রকাশ নুরুল আবছার চেয়ারম্যান। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। শুরু থেকে তার তেমন কোন প্রচারণা নেই বললে চলে। আবার এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। এতদিন তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকলেও যেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তখন তাকে দমিয়ে রাখার নানা চেষ্টা চলছে। নির্বাচনে যাতে অংশগ্রহন করতে না পারেন এই তার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রীট করেন জসিম উদ্দিন নামের এক ভোটার। এই রীটে নির্বাচনে অংশগ্রহনে নুরুল আবছারের প্রার্থীতা বাতিল হয়ে যায়। প্রার্থীতা বৈধতা করতে নুরুল আবছার তিনদিনের জন্য ঢাকা অবস্থান করেন। ফলে অন্য প্রার্থীরা গণসংযোগ করতে পারলেও তিনি পারেননি। অন্যদিতে নুরুল আবছার থেকে প্রার্থীরা ফিরে আনতে আদালতের বারান্দায় বারান্দায় সময় দিতে হয়। পরে নির্বাচনে তিন আগে তিনি প্রার্থীরা ফিরে পান। ফলে তার পক্ষে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করা সম্ভব হয়নি। এমন কি ঘোড়ার কোন পোষ্টার দেখা যায়নি। এই অবস্থায় নুরুল আবছার নিজের হাতে চিঠি লিখে ভোটারদের কাছে পৌছানোর চেষ্টা করছেন। নুরুল আবছারের নাম এখনো সাধারণ মানুষ মনে রেখেছেন। নুরুল আবছারের আগের জনপ্রিয়তা থাকলে হয়তো চেয়ারম্যানে মুকুট তার মাথায় উঠতে পারে।

অন্যদিকে নিরবে কাজ করছেন সেলিম আকরব। তিনি নতুন মুখ। আনারস মার্কা নিয়ে নির্বাচন করছেন। তার প্রচারণাও চলছে ভালো। তবে তিনি বাহ্যিক প্রচারণার চেয়ে ভিতরে ভিতরে ভালোই কাজ করছেন। ভোটারদের তার পক্ষে টানতে সমস্ত কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন কি টাকাও খরচ করছেন প্রচুর। পৌর শহরে তার প্রচারণা তেমন লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। তবে ঈদগাঁও, জালালাবাদ, ভারুয়াখালি, পোকখালী, ইসলামাবাদ ইউনিয়নকে টার্গেট করে তিনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এককভাবে প্রত্যন্ত ইউনিয়নের ভোটারদের ভোট নিতে পারলে তাকেও চেয়ারম্যানের গণনা থেকে বাদ সম্ভব নয়।

তবে আশার প্রতিফলন ঘটবে ৩১ মার্চ নির্বাচনের বেলা শেষে ফলাফল ঘোষনা করার পর।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

ঈদগাঁওতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে আবু তালেব : জনতার ভালবাসায় সিক্ত

  নিজস্ব প্রতিনিধি; ঈদগাঁও :কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবু তালেব গ্রামীণ জনপদে ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.