সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / পেকুয়ায় বায়নানামা গোপন করে অন্যজনকে জমি রেজিষ্ট্রী দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

পেকুয়ায় বায়নানামা গোপন করে অন্যজনকে জমি রেজিষ্ট্রী দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

পেকুয়ায় বায়নানামা গোপন করে অন্যজনকে জমি রেজিষ্ট্রী দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী; পেকুয়া :

কক্সবাজার পেকুয়ায় সম্পাদিত বায়নানামা চুক্তি গোপন করে অন্যজনকে জমি রেজিষ্ট্রী দেওয়ার সময় অভিযোগের ভিত্তিতে কবলা জব্দ করেছেন সাব-রেজিষ্ট্রার। হারাহারি মূল্য নির্ধারণ করে বিক্রেতা ওই জমি কবলা সম্পাদনের জন্য গ্রহিতার সাথে ১বছরের জন্য বায়নানামা সম্পাদন করেন। তবে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দাতা একই জমি বায়নানামা সম্পাদনকারীকে না দিয়ে অন্যজনকে কবলা দেওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি দূর্দান্ত প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভূমির মালিক অপর একজনকে গোপনে কবলা সম্পাদন চেষ্টা করে। এ সময় বিষয়টি জানাজানি হলে বায়নানামা গ্রহিতা এর বিরুদ্ধে প্রতিকার জানিয়ে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে বায়নানামার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সাব-রেজিষ্ট্রার পেকুয়াকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। আর এরই ভিত্তিতে ওই দিন কবলা সম্পাদন এর সময় দলিলসমূহ জব্দ করেন সাব-রেজিষ্টার।

জানা গেছে, পেকুয়া মেহেরনামা মৌজার ৪০শতক জমি ক্রয় করার জন্য সদর নন্দীর পাড়া এলাকার নুরুল কবিরের পুত্র নুরুল হক একই ইউনিয়নের পেকুয়া জমিদার বাড়ির মৃত এলহাদাদ চৌধুরীর পুত্র কামরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। ২৭ আগষ্ট উভয় পক্ষ সাব-রেজিষ্ট্রী মূলে বায়নানামা সম্পাদন করেন। যার নং ১৭৩৭/১৫ইং। ওই বায়নানামার সর্তমতে দাতাকে গ্রহিতা নগদ ৫লাখ ১০হাজার টাকা পরিশোধ করেন। ১ বছরের মধ্যে অবিশিষ্ট টাকা পরিশোধসহ জমি রেজিষ্ট্রী সম্পাদনের বাধ্যবাধকতা উল্লেখ করা আছে।

অভিযোগ উঠেছে কামরুল ইসলাম চৌধুরী চুক্তিনামা ভঙ্গকরে ওই জমির জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে অপর একজনকে রেজিষ্ট্রী দেওয়ার পায়তারা করে।

অপরদিকে গ্রহিতা তার জমি ফিরিয়ে পেতে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত নাশিল করলে তিনি সাব-রেজিষ্টার পেকুয়াকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সাব-রেজিষ্টার পেকুয়াকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পেকুয়া সাব-রেজিষ্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, নুরুল হক নামের এক ব্যক্তি লিখিত একটি অভিযোগ উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে ফরোয়াট করে নিয়ে আসলে অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং দলিল সম্পাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

https://coxview.net/wp-content/uploads/2023/01/BGB-Rafiq-24-1-23.jpeg

বিপুল পরিমাণ পপিক্ষেত ধ্বংস করল বিজিবি

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; লামা-আলীকদম : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে থানচি উপজেলা গহীণ অরণ্যে মাদক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.