
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত
আগামী দুই অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু এই সভাকে আদালতের রায়ের পরিপন্থি উল্লেখ করে তা বন্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গঠনতন্ত্র বিষয়ক এক মামলায় গেল ২৬ জুলাই আপিল বিভাগের রায়কে নিজেদের পক্ষে দাবি করেছিল বিসিবি। তবে মামলার বাদী বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের দাবি, রায় অনুযায়ী বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পরিষদ অবৈধ।
এই দাবির ভিত্তিতেই বিসিবি বরাবর নোটিশটি পাঠিয়েছেন মোবাশ্বের হোসেন। সভাপতি ছাড়াও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় ক্রীড়াপরিষদের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বরাবর। অবৈধ পরিচালনা পরিষদ কোনোভাবেই সাধারণ সভা, বিশেষ সভাসহ বোর্ডের কার্যক্রম চালাতে পারেন না, এই মর্মে নোটিশটি পাঠিয়েছেন এই স্থপতি।
গেল ১৬ অক্টোবর পাঠানো নোটিশে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিসিবিকে বার্ষিক ও বিশেষ সভা আয়োজনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান বোর্ড সভাপতি এবং পরিচালনা পর্ষদকে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতেও বলা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার পর বিসিবির পক্ষ থেকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে মোবাশ্বের হোসেন বলেছেন, ‘আগামী তিন দিনের ভেতরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’
২০১২ সালের মার্চের এক তারিখ গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল বিসিবি। পরবর্তীতে সেটি অনুমোদন না দিয়ে কিছু সংশোধনী এনে ওই বছরের নভেম্বরে নতুন গঠনতন্ত্র তৈরি করে এনএসসি। ডিসেম্বরে এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিসিবির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত ইউসুফ জামিল বাবু ও মোবাশ্বের হোসেন। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন, এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ।
পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে বিসিবি। ২৫ জুলাই আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। দেশের স্বার্থ বিবেচনায় এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্রেই নির্বাচনের অনুমতি পায় বিসিবি।
সূত্র:মেহেরিনা কামাল মুন/priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.