সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাব : সমুদ্র পথে মালয়েশিয়ায় আবারও মানব পাচারের আশংকা

বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাব : সমুদ্র পথে মালয়েশিয়ায় আবারও মানব পাচারের আশংকা

Shahidulla

শহীদুল্লাহ কায়সার; কক্সভিউ :

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া গমণকারীদের দেশে ফেরত আনা হলেও সমস্যার কোন সুরাহা হচ্ছে না। দেশে বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাব। ফলে আবারো সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া গমণের আশংকা দেখা দিয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে দালাল চক্রও বেশ সোচ্চার। চক্রের সদস্যরা নেমে পড়েছে মাঠে। প্রলোভন দেয়া সহ যে কোন উপায়ে অবৈধ ব্যবসা চালু করাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। এ কাজে সফল হতেও তাদের বেগ পেতে হবে না যদি প্রশাসন সজাগ না হয়। অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলছেন। তাঁরা বলছেন, বিদেশের শ্রম বাজারে এখন অদক্ষ শ্রমিকের কদর কম। এ কারণে বিদেশের শ্রমবাজার বাংলাদেশের বাজার শক্তিশালী করতে চাইলে দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে হবে। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষা জ্ঞান রপ্ত করাদের সে দেশে পাঠাতে হবে। তাহলেই প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যাবে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এক সাংবাদিক কর্মশালায় তাঁরা এ কথা বলেন। শহরের এক অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স রুমে ৩ এপ্রিল কর্মশালাটি শুরু হয়। শেষ হয়ে ৪ এপ্রিল।

দায়িত্বশীল প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসনে সহায়তা শীর্ষক কর্মশালার প্রথম দিনে মালয়েশিয়া ফেরত বাংলাদেশীদের বর্তমান অবস্থাও অদূর ভবিষ্যতে সমুদ্র পথে মানব পাচারে কী প্রভাব পড়তে পারে তার উপর আলোচনা করেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা রেহনুমা খানম খান, বায়রা প্রতিনিধি আলী হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক মাইনুল আলম ও প্রবাসী শ্রমিক প্রতিনিধি সৈয়দ সাইফুল হক।

দ্বিতীয় দিন একই বিষয়ের উপর আলোচনায় অংশ নেন আইওএম’র বাংলাদেশ মিশন প্রধান শরৎ দাশ, কক্সবাজার অফিস প্রধান সংযোক্তা সাহানি। দুই দিনের কর্মশালা সঞ্চালনা করেন, আইওএম’র প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ মুনীর।

কর্মশালায় তাঁরা জানান, বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার কোন দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি নেই। বর্তমানে সবকিছুই হচ্ছে স্মারক মূলে। ফলে মালয়েশিয়া আলোচনা ছাড়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারছে। বাংলাদেশও গ্রহণ করতে পারছে না আইনি সুযোগ সুবিধা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে তাঁরা বলেন, মন্ত্রণালয়টির হিসাব অনুযায়ী অবৈধভাবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় আটক হওয়া বাংলাদেশের কোন নাগরিক মায়ানমারের কারাগারে বন্দী নেই। সবাইকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত আইওএম ২ হাজার ৭৪০ জন পাচারের শিকার বাংলাদেশের নাগরিককে দেশে ফেরত আনতে সহযোগিতা করেছে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.