সাম্প্রতিক....
Home / জাতীয় / যে কারণে জঙ্গি দমনে সোয়াত

যে কারণে জঙ্গি দমনে সোয়াত

গত বছরের ১ জুলাই রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোঁরায় জঙ্গি হামলার পরপরপরই দেশে জঙ্গি দমনে নড়চড়ে বসে সরকার।

এরপর রাজধানীর কল্যাণপুরের ‘জাহাজ বিল্ডিং’, নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার ‘দেওয়ানবাড়ি’, সিলেটের সীতাকুণ্ডের ‘ছায়ানীড়’ সহ বিভিন্ন জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ-র‍্যাবসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।

এসব অভিযানে একটি বাহিনীর নাম বরাবরই উচ্চারিত হয়েছে। সেটি হলো সোয়াত। এই সোয়াত বাহিনীর সফল অভিযানে নিহত হয়েছেন অনেক জঙ্গি।

জেনে নেওয়া যাক সোয়াত সম্পর্কে কিছু তথ্য: বর্হি বিশ্বে ‘সোয়াত বাহিনী’ ব্যাপক পরিচিত। কারণ সেইসব দেশে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে এই সোয়াত বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে সোয়াত বাহিনীর সঙ্গে মানুষ পরিচিত হয় ২০০৯ সালে। ওই বছরের ২৮ মার্চ গঠন করা হয় বিশেষ এই বাহিনীটি।

সোয়াতের পূর্ণরূপ- স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম।

সোয়াত একটি অভিজাত কৌশলী ইউনিট যা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অধীনে পরিচালিত হয়। সাধারণত বিশেষ কোনো অভিযানে সোয়াত টিমের ওপর দায়িত্ব পড়ে।

জানা যায়, শুরুতে এর সদস্য ছিল মাত্র ২৪ জন। এর মধ্যে ছিল দুইজন সহকারী কমিশনার, দুইজন ইন্সপেক্টর, ছয়জন সার্জেন্ট ও এসআই এবং বাকিরা নায়েক এবং কনস্টেবল পদমর্যদার। পরবর্তীতে এ সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়।

যেসব বিষয়ে সোয়াত সদস্যরা পারদর্শী: সোয়াত সদস্যরা বেশ কয়েকটি বিষয়ে পারদর্শী। তাদেরকে বোমা নিষ্ক্রিয়, স্নাইপার চালানো, মধ্যস্ততা করা, জঙ্গি দমনে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের হাতে ভিআইপি জিম্মি হওয়াসহ এ ধরনের যে কোনো সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য এ টিমকে সব সময় প্রস্তুত রাখা হয়।

অন্যান্য বাহিনীর মতো সোয়াতের বিশেষ পোশাক রয়েছে। বর্তমানে তাদের কালো রংয়ের শার্ট ও খাকি রংয়ের প্যান্ট পরতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে তাদের মাথায় থাকে কালো রংয়ের হেলমেট এবং শরীরে পোশাকের উপরে থাকে বুলেটপ্রুফ ভেস্ট।

সোয়াতের অস্ত্র-শস্ত্র: অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এই বাহিনীর রয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র। যেমন- জিলক ১৭, এসআর ২৫, টাইপ ৫৬, বিডি ০৮, এম৪ কার্বাইন, তারায়াস এসএমটি ৯, এসটি কিনিটিক্স সিপিডব্লিউ, কোল্ট ৯এমএম এসএমজি, ক্রিস সুপার ভি, রিমিংটন ৮৭০।

এদিকে সোয়াতে রয়েছে ৬ কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক দুটি বুলেটপ্রফ গাড়ি- আর্মারড ফোর্ড। ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান ও জিম্মিদশা থেকে কোনো ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে এসব গাড়ি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র:priyo.com,ডেস্ক।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.