
লামা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার আসামী মন্টু মিয়া।
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; লামা :
বান্দরবান জেলার লামায় চাঞ্চল্যকর মঞ্জুরা বেগম আলপনা হত্যা মামলার ৪ এজাহার ভুক্ত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ২০১৮ সালের ৭ জুন বৃহস্পতিবার শশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক নির্যাতনে গৃহবধু মঞ্জুরা বেগম আলপনাকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে সিআর মামলা- ৭৩/১৯ দায়ের করে আলপনার পিতা তাজুল ইসলাম।
এদিকে মামলার প্রায় ১০ মাস পরে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মন্টু মিয়াকে মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল ২০১৯ইং) বিকাল ৫টায় লামার রুপসীপাড়া বাজার হতে গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর বুধবার (৩ এপ্রিল) তাকে লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তোলা হয়।
লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বাদীপক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট মো. মামুন মিয়া বলেন, আসামী মন্টু মিয়াকে গ্রেফতারের পরে বুধবার আদালতে প্রেরণ করে লামা থানা। এসময় মামলার অন্য আসামী শেফালী বেগম, নাজমা আক্তার ও ফাহিমা বেগম জামিনের আবেদন চেয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করে। বিজ্ঞ আদালত বাদী বিবাদী পক্ষের কৌশলীদের বক্তব্য শুনে ৪ জনকেই জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার বাদী ও আলপনা পিতা তাজুল ইসলাম বলেন, দেরীতে হলেও আসামীদের আইনের আওতায় আনতে পেরে কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি পেয়েছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে তিনি আরো বলেন, তাদের কঠোর শাস্তি দিলে ভবিষ্যতে অন্য কোন শশুড় বাড়ির লোকজন গৃহবধূকে নির্যাতনের সাহস পাবেনা। এতে করে আর কোন মায়ের বুক খালি হবেনা।
উল্লেখ্য, বান্দরবানের লামায় শশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বৃহস্পতিবার (৭ জুন ২০১৮ইং) বিষপান করে মঞ্জুরা বেগম আলপনা (২৫) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে লামা হাসপাতালে আনা হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়া কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.