
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কক্সবাজার শহরের সরকারি গার্লস হাই স্কুলের পাশে অর্ধশত কোটি টাকার মূল্যবান সরকারি জমিতে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। এমন কি রাস্তার কিছু অংশ দখল করে এই স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে।
কক্সবাজার শহরের অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ৪১ শতক একটি সরকারি জমি রয়েছে। সরকারি ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত এই জমি নিয়ে ত্রিমুখী গ্রুপ দখল পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে সিভিল সার্জন, জেলা পরিষদ ও এক আইনজীবী। অনেকে জমিটি বন্দোবস্তি আবেদন করেই নিজের জমি বলে দাবি করছে। অনেকে জমির ভিন্ন দাগ এই জমির দাগের সাথে মিলিয়ে দখলের চেষ্টা করছে। জমিটি সরকারের দখলে না থাকার সুযোগে মূল্যবান এই জমির প্রতি সবার লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ কর্মচারি আবদু সামাদসহ দুয়েকজন কর্মচারিকে অস্থায়ীভাবে থাকতে দেয়া হয়। পরে আবদু সামাদ মারা গেলে সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ তাদের পরিবারকে চলে যেতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু সামাদের স্বজনরা তা ছেড়ে না দিয়ে উল্টো অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে। শুধু তাই নয় রাস্তার কিছু অংশ দখলে নিয়ে গড়ে উঠছে এই স্থাপনা।
এই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করার জন্য ২০ দিন আগে তৎকালিন সিভিল সার্জন ও বর্তমান সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা: পুঁ চ নু কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ করেন। এ ছাড়া এই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
খবর নিয়ে জানা যায়, জমিটি জেলা প্রশাসকের আওয়াতাধীন ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় তথাকথিত জমির মালিক দাবিদার কোন পক্ষ সততা ও সাহস নিয়ে আবদু সামাদ এর ছেলেকে উক্ত জমি থেকে সরাতে পারছেননা। কারণ তাদের স্বপক্ষে জমির কোন দলিল নেই। এই সুযোগে সামাদের ছেলেরা অবাধে স্থাপনা তৈরি করছে। আর জমির মালিক সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসনও কোন বাঁধা না দেয়ায় নির্বিঘ্নে কাজ করে যাচ্ছে।
সরকারি খাস জমি বেহাত হওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজি আবদুর রহমান বলেন- ‘বিষয়টি দ্রুত যাছাই করে দখলদারদের উচ্ছেদ করে দখল মুক্ত করা হবে।’
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.