সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ঈদগাঁওতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষয়ক্ষতি : চরম দূর্ভোগ

ঈদগাঁওতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষয়ক্ষতি : চরম দূর্ভোগ

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঈদগাঁওতে দিবা-রাত্রী থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বাতাসও কম ছিলনা। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে না আসতে জেলার বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারে প্রায় দোকানপাট বন্ধ করে ফেলা হয়। সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজের উদ্যোগে ব্যবসা গুটিয়ে নেন। দিনের মাঝে মধ্যে বৃষ্টিসহ বাতাস প্রবাহিত হয়। অন্যান্য দিনের ন্যায় ঘূর্ণিঝড়ের দিন বাজারে লোকজনের আনাগোনাও কম ছিল। কিছু দোকানপাঠসহ খাদ্যের দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা সমাগম তেমন ছিলনা।

তবে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মাইকিং করে লোকজনকে সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

কয়জন দোকান কর্মচারী জানায়, দিনে মোটেও বিদ্যুৎ না থাকা এবং মাগরিবের পর থেকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় তারা বেচাবিক্রি বন্ধ করে দেন। স্ব স্ব দোকান বন্ধ করে বাড়ীমুখী হয়।

নৈশ প্রহরীর মতে, অন্য দিন রাত দশটা থেকে তাদের রাত্রীকালীন ডিউটি শুরু হলেও বিদ্যুতের অভাবে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় আগে তার ডিউটি শুরু হয়। পান দোকানদার সুজনের মতে, বিদ্যুৎ না থাকায় সারাদিন প্রচুর মোমবাতি বিক্রি হয়। পাশাপাশি চলছে কয়েল বিকিকিনিও।

দেখা যায়, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের দিন সকাল থেকে
পরের দিন বিকেলে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন নর-নারীরা। যার ফলে একদিকে ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, অন্যদিকে বসতবাড়ীর ফ্রিজে রক্ষিত খাদ্যের বেহাল অবস্থাসহ হাসপাতালের ফ্রিজে রক্ষিত জীবন রক্ষাকারী ঔষুধপত্র নষ্টের উপক্রম শুরু হয়েছে।

গৃহবধূ সাবিনা জানান, বিদ্যুতের অভাবে পানির মোটর এবং ফ্রিজ নিয়ে দারুন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মোবাইলের চার্জ নিয়েও পেতে হল দূর্ভোগ আর দূর্গতি। অনেকটা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। তার উপর নেটওয়ার্ক সমস্যা। বিদ্যুৎ না থাকার মশা-মাছির অতিষ্টে বিষিয়ে উঠেছে পরিবারের লোকজন।

ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের মতে, সম্ভাব্য দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিষদ কর্তৃক সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছিল।

ঈদগাঁও পবিসের ডিজিএম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারনে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎ চালু করতে অফিসের সব কর্মকতারা নিরবচ্ছিন্ন কাজ অব্যাহত রেখেছেন। তবে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতেও পেরেছেন দ্রুত সময়ে।

সূত্রমতে, উপকূলীয় গোমাতলীর লোকজন ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মোহাজের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছিল লোকজন। দূর্গত লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নিতে কাজ করেছিল মেম্বার, গ্রামপুলিশ সদস্যরা।

দিনের প্রচন্ড বাতাস ও ঝড়ো হাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার গাছপালা ভাঙ্গলেও বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.