
এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে উষ্ঠাগত গরমের শুরুতেই সুস্বাদু ফল তরমুজ ও বাঙ্গির বাম্পার ফলন শুরু হয়েছে। এতে করে এসব ফলের দাম দ্বিগুণ হাতিয়ে নিচ্ছে বিক্রেতারা। ক্রেতারা এতে অসহায় হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, জেলা সদরের বহুল আলোচিত বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের যত্রতত্র স্থানেসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ইউনিয়নের ছোট ছোট বাজারগুলোতেও মিষ্টি ফল তরমুজ এবং বাঙ্গীর বিকিকিনি শুরু হতে দেখা যায়। অল্প সংখ্যক লোকজন বছরের নতুন ফল হিসাবে গরমের শুরুতেই এসব ফল ফলাদি কিনে বাড়ীঘরে নিতেও চোখে পড়ে। গত ১৬ এপ্রিল দুপুর বেলায় ঈদগাঁও ফোর স্টারের সামনে থেকে এ তরমুজের স্তুপ থেকে সাধারণ লোকজন আগ্রহভরে তরমুজ কিনছে। তবে কয়েক তরমুজ ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা শুরুতেই এসব ফলের দাম অতিরিক্ত বলে জানান।
অপরদিকে আর কয়েক ক্রেতার মতে, দাম যাই হোক না কেন? নতুন ফল হিসাবে না খেলে স্বাদ মিঠে না। এমনকি বর্তমানে এসব তরমুজ ও বাঙ্গী নানা দামে বিক্রি হচ্ছে। ছোটটি এক দামের, মাঝারিটি অন্য দামের। আবার বড়টি দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছে বিক্রেতারা। এতে করে অনেক অসহায় ক্রেতারা গরমের সময় সুস্বাদু ফল খেতে না পেরে মাথায় হাত দিয়েছে। সমগ্র বাজার ঘুরে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
আরো জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের লোকজন কোন না কোনভাবে বাজারমুখী হচ্ছে। তাই সওদা করতে আসা এসব লোকজন তাদের কাঙ্খিত ফল-ফলাদি অতিরিক্ত দামের কারণে কিনে নিয়ে বাড়ীর লোকজনদের খাওয়ানো সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি বাজারের যত্রতত্র স্থানের ন্যায় ফল-ফলাদির দোকানেও এসব রসালো ফল দেদারছে বিক্রি হচ্ছে।
ঈদগাঁওয়ের আইরিন নামের এক তরমুজ ক্রেতার মতে, নতুন ফল হিসাবে দ্বিগুণ দাম হলেও গরমের শুরুতে কিনতে বাধ্য হলাম একটি সুস্বাদু তরমুজ।
অপরদিকে মাইজ পাড়ার আহমদ হোছন নামের আরেক বয়োবৃদ্ধের মতে, বাঙ্গীর দাম চড়া। তবুও বাড়ীর লোকজনের বায়না স্বরূপ কিনতে বাধ্য হলাম। তবে সাধারণ লোকজনের মতে, জেলার বাইরের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় যদি বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী অনাবাদী জমিতে মিষ্টি ফল তরমুজ ও বাঙ্গীর চাষ করা হয় তাহলে এলাকার লোকজন নানাভাবে উপকৃত হবে। পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে বেকারত্ব দূর হবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.