
এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকা ভাদীতলা, দরগাহপাড়া, শিয়াপাড়া ও হাসিনাপাড়া। যেখানে বর্তমানে ১৫/২০ হাজারের বেশী মানুষের বসবাস। রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খেতখামার।
প্রায় ছয় বছর পূর্বে এই সড়কের ব্রীজটি ভেঙে যায়। স্থানীয়রা কাঠ-বাঁশ দিয়ে তৈরী করে অস্থায়ী সাকো। সেই অস্থায় সাকোই যেন অনেকটা স্থায়ী হয়ে গেছে। ভেঙে পড়া ব্রীজটি নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। কবে হবে এই সড়কের ব্রীজটি, এমন প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে সচেতন লোকজনের মাঝে।
বিপুল সংখ্যক কৃষি নির্ভর জনগণের চলাচলের মাধ্যম একটি কাঠের সাকো। কষ্ট ও দুর্ভোগ কাকে বলে তা বাস্তব সাক্ষী স্থানীয় বাসিন্দাদের।
প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ঢলের পানিতে ভেঙ্গে যায় সাঁকোটি। এলাকাবাসীর উদ্দোগে প্রতি বছর সংস্কার করা হলেও তা টিকে না। ভেঙে বিলীন হয়ে যায় পানিতে। তবু ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পথচলা থেমে নেই।
দেখা গেল, ঢলের পানির সাথে ভেসে যাওয়া সাঁকোটি আবার নির্মাণ করা হয়েছে। চলাচল করছে ছোটখাট যানবাহন।
পথচারী মোজাম্মেল হক জানান, স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণ এতদিনেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় কাঠের সাঁকো দিয়ে পারাপার কষ্ট হচ্ছে। রোগী নিয়ে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
ব্যবসায়ী রাশেদ কামাল রাশেদ জানান, ছয় বছরেই ৬টি বার কাঠের সাঁকো নির্মান করা হয়। ব্রীজ নির্মানে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জোরদাবী।
মুদি দোকান ব্যবসায়ী বশর জানান, স্থায়ীভাবে ব্রীজ নির্মান করে জন ও যানচলাচল স্বাভাবিক সহ নানা ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হউক।
আরো পড়ুন- রামুতে ছাত্রলীগের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ কমিটি গঠিত
ঈদগাঁও ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল হাকিম জানান, মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। ব্রীজের টেন্ডার হয়েছে। দ্রুত সময়ে কাজ হবে বলে তিনি আশাবাদী। এ পর্যন্ত ৬ বার কাঠের সাকো নির্মান করে কোন রকম যাতায়াত করছে এলাকাবাসী।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.