কামাল শিশির; রামু :
কক্সবাজার জেলার রামুু উপজেলার ঈদগডে পঁচা গন্ধযুক্ত মহিষের মাংস বিক্রি করার সময় ধরে ফেলে স্থানীয় জনতা ।
জানা যায়, গত ২ মাস যাবৎ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন সিমান্ত দিয়ে মায়ানমারের গরু, মহিষ অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
উক্ত গরু মহিষ নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড়ের বিভিন্ন সড়ক ব্যাবহার করে রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের কিছু ব্যাবসয়ী ও প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি সহ কয়েকটি সিন্ডিকেট করে গরু মহিষ গুলো ঈদগড়ের বিভিন্ন স্থানে জমা রাখা হয়। প্রসাশনকে ম্যানেজ করে ঈদগড় ও ঈদগাঁও সড়ক ব্যাবহার রাতের অন্ধকারে জেলার বিভিন্ন স্থানে গরু, মহিষ গুলো বিক্রি করা হয়।
জানা যায় কিছু গরু মহিষ অসুস্থ হয়ে মারা যায়।
অসুস্থ গরু মহিষ ঈদগড় সহ জেলার বিভিন্ন স্থানের কসাইরা অধিক মুনাফার লোভে কম মূল্যে ক্রয় করে নিয়ে বিভিন্ন মাংসের দোকানে ও হোটেলে বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে।
১ সেপ্টেম্বর ঈদগড়ে একটি মহিষ অসুস্থ অবস্থায় ক্রয় করে ঈদগড়ের কসায় সুব্বা, জাগের হুসাইনসহ আরো অনেকে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উক্ত মহিষটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচঁন ও পোকা ধরেছে।
স্থানীয় সংবাদকর্মী আবুল কাশেম জানান, রাতের অন্ধকারে জবাই করে শুক্রবার সকালে বেশ কয়েক মন মাংস বিক্রি করে ফেলে উক্ত কসাইরা।
এছাড়া সকাল ৯ টার দিকে সে নিজেও ৪ কেজি মাংস ক্রয় করে বাসায় গিয়ে মাংস গন্ধ ও পোকা দেখতে পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মোবাইল ফোনে জানালে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই জাফর উল্লাহ এসে মাংস বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কসাই জানান, সকাল থেকে ৪ মণ মত মাংস বিক্রি করেছি পুলিশ এসে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার পর ৩০ কেজি মাংস ছিল এগুলো কক্সবাজার হোটেলে বিক্রি করি।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কায়েসুল ইসলাম বাঙ্গালী জানান, বাজারে গরু মহিষ জবাই করতে জনপ্রতিনিধি ও বাজার কমিটিসহ ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করে অনুমতি নিয়ে জবাই করতে হয়, কিন্তু রাতের আঁধারে মৃত নাকি জীবিত জবাই করা হয় দেখার কেউ নেই।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.