ইয়াবা চোরাচালানের মূল রুট কক্সবাজার। এখানকার নানা শ্রেণি পেশার মানুষের পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধেও ইয়াবা চোরাচালানে জড়িতের অভিযোগ রয়েছে।
এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রা। যদিও মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর ইয়াবা চোরাচালানের মূলহোতারা গা ঢাকা দিয়েছে। তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, ইয়াবার সাথে যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
ইয়াবা, গোলাপী রঙের এ ট্যাবলেটের বিষে বিপর্যস্ত দেশের যুব সমাজ। ভয়ানক এ মাদকের উৎস সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার।
মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আসার অন্যতম রুট কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ। মূলত স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা এনে তা ছড়িয়ে দেয় সারা দেশে। দ্রুত অর্থবিত্তের লোভে এ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে এখানকার নানা স্তরের মানুষ।
তাই মাদক নির্মূলে সাড়াশি অভিযানে কঠোর পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কক্সবাজারের স্থানীয়রা। তবে তাদের দাবি, ইয়াবা চোরাচালানের মূলহোতাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার।
অভিযান শুরুর পর সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। আর ইয়াবা চোরাচালানের সাথে যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লে. কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী (অধিনায়ক, বিজিবি ২ ব্যাটালিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার) বলেন, শিক্ষিত সচেতন নাগরিক যদি এগিয়ে আসে তবে জঙ্গিবাদের মত ইয়াবাও রোধ করা যাবে।
মো. আফরুজুল হক টুটুল (অতিরিক্ত পুলিশ, কক্সবাজার) যে-ই হোক না কেন ইয়াবার ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না।
অভিযানে ইতোমধ্যে টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক ও সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিও বিয়াই আখতার কামালসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.