
এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা বিরাজ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে ভোটের হাওয়া। মাঠ দখলে সরব ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য হেভিওয়েট প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা ভোটারদের। সরকারের উন্নয়ন প্রচারণার পাশাপাশি ভোটারদের কাছে তাদের পরিচিতি তুলে ধরেন প্রার্থীরা। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদে এবার আওয়ামীলীগের বড় বিজয় আসবে এবং বিপুল ভোটে দলীয় মনোনীত প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন এমন প্রত্যাশা ভোটারদের।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু তালেব, পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, সদর আ,লীগ সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম মাদু, সদর যুবলীগের সাবেক সভাপতি বদিউল আলম আমির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ, সেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক কায়সারুল হক জুয়েল, জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি এডভোকেট একরামুল হুদা।
আবু তালেব রাজনৈতিক মাঠে সকলের কাছে নিবেদিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তিনি কক্সবাজার পৌর-প্রিপ্যারেটরী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৩-১৯৮৫), কক্সবাজার সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
(১৯৮৬-১৯৮৮), সভাপতি (১৯৮৮-১৯৮৯), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক (১৯৮৯- ১৯৯১), সাংগঠনিক সম্পাদক (১৯৯১- ১৯৯৫), সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৫-১৯৯৮), সভাপতি (১৯৯৮-২০০৩), বাংলাদেশ আ,লীগ জেলা শাখার সদস্য (২০০৩-২০১৬), বর্তমান সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। বর্নাঢ্য রাজনীতিক ক্যারিয়ারের অধিকারী। একনিষ্ট মুজিব প্রেমিক। জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও বিশ্বস্ত সৈনিক। দীর্ঘ ৩৬ বছরের পরিক্ষীত এবং পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
বদিউল আলম আমীর মাঠ পর্যায়ে থেকে উঠে আসা মুজিব আদর্শের সৈনিক। তৃণমূল নেতা কর্মীদের কাছে বেশ সুপরিচিত। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সফল সভাপতি ছিলেন।
ইমরুল হাসান রাশেদ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান এবং কলেজ ছাত্র রাজনীতি থেকে বেড়ে উঠা আরেক নাম।
কায়সারুল হক জুয়েল জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আ,লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম এ.কে.এম মোজাম্মেল হকের সুযোগ্য সন্তান।
বিশেষ করে, সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছেন। নির্বাচনে নিজের পক্ষে সমর্থন ও দোয়া চেয়ে মাঠে তাঁরা ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীদের নিয়েও মতবিনিময় সভা করে যাচ্ছেন এসব প্রার্থীরা। এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানের পদে নতুন মুখ দেখা যাচ্ছে। দুয়েকজন প্রার্থীর নাম প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মী দের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে।
সূত্র মতে, হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে সবাই যার যার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও যোগ্য। তাই এবার কক্সবাজার সদরে প্রার্থী নির্বাচনে বেশ চমক থাকতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় থাকায় প্রার্থীরাও নিজেদের আরো এগিয়ে রাখতে এবং যোগ্যতাকে তুলে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে,দেশের বড়দল হিসেবে আওয়ামীলীগে অনেক যোগ্য প্রার্থী থাকতে পারে। এসব প্রার্থীর মধ্যে থেকে সর্বাধিক যোগ্য প্রার্থীকে বিশেষ বিবেচনায় আনতে হবে। যোগ্যতা বিচারে সব কিছুকে গুরুত্ব দিতে হবে। দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারসহ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকেও বিবেচনায় রাখতে হবে।
এছাড়া প্রার্থীদের পরিচিতিস্বরূপ আগাম ব্যানার ও পোষ্টারে ছেয়ে গেছে পাড়া মহল্লাজুড়ে। এবার কক্সবাজার সদর উপজেলায় নৌকা মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কে পাচ্ছে দলীয় টিকেট? এমন প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে ভোটারদের মাঝে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.